আকাশে মেঘের আনাগোনা। সঙ্গে হালকা বৃষ্টি আর মাঝেমধ্যে বজ্রপাত। তবে শনিবার থেকে রাজ্যে বৃষ্টির দাপট কিছুটা কমতে চলেছে। দক্ষিণবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলায় আজ বজ্রবিদ্যুৎসহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। দু-এক জায়গায় বৃষ্টি হবে বিক্ষিপ্তভাবে। সঙ্গে ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া বইতে পারে। তবে এই স্বস্তি দীর্ঘস্থায়ী হবে না। বুধবার থেকেই ফের বদলাবে আবহাওয়া। (Weather Update)
কলকাতায় মেঘলা আকাশ, বাড়বে অস্বস্তি
কলকাতায় আজ মূলত আংশিক মেঘলা আকাশ থাকবে। দু-এক পশলা হালকা বৃষ্টির সামান্য সম্ভাবনা রয়েছে। তবে বৃষ্টি না হলে অস্বস্তি আরও বাড়তে পারে। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেশি থাকায় ভ্যাপসা গরম অনুভূত হবে। শুক্রবার শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩১.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শনিবার সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৬.৮ ডিগ্রি। আপেক্ষিক আর্দ্রতা ছিল ৭৭ থেকে ৯৭ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টি হয়েছে ৩২.৬ মিলিমিটার। রবিবারও বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে বৃষ্টির পরিমাণ এবং বিস্তার দুটোই কিছুটা কমবে। সোমবার ও মঙ্গলবার দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টি আরও কমবে। ওই দু’দিন ঝড়-বৃষ্টির কোনও সতর্কতা নেই। (Weather Update)
বুধবার থেকেই ফের বৃষ্টির দাপট
বুধবার থেকে ফের আবহাওয়ার পরিবর্তন হবে দক্ষিণবঙ্গে। পূর্ব মেদিনীপুর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ভারী বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা রয়েছে। বৃহস্পতিবার বৃষ্টির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে। ফলে কয়েক দিনের শুকনো আবহাওয়ার পর ফের বৃষ্টির দাপট দেখা দিতে পারে দক্ষিণবঙ্গে।
উত্তরবঙ্গেও আপাতত ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। তবে সব জেলাতেই বিক্ষিপ্তভাবে বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টি হতে পারে। বুধবার পর্যন্ত বৃষ্টির পরিমাণ কম থাকবে। বৃহস্পতিবার থেকে ফের বাড়বে বৃষ্টি। উপরের দিকের জেলাগুলিতে ভারী বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা রয়েছে। জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ারে বৃষ্টির সম্ভাবনা বেশি। (Weather Update)
শুরু বর্ষার বিদায়পর্ব
এরই মধ্যে আজ থেকে বর্ষার বিদায়পর্ব শুরু হওয়ার কথা। পশ্চিম রাজস্থান থেকে বর্ষা বিদায়ের প্রক্রিয়া শুরু হবে। অন্যদিকে থাইল্যান্ডের ঘূর্ণাবর্ত উত্তর আন্দামান সাগরে শক্তি বাড়াচ্ছে। শনিবার সন্ধ্যার মধ্যে সেটি নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে। আমেরিকার জিএফএস মডেল এই সিস্টেমটি ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা দেখিয়েছে। তবে মৌসম ভবন এখনও নিম্নচাপের সম্ভাবনার কথাই জানিয়েছে। সিস্টেমটি নিম্নচাপ হলে তার অভিমুখ অন্ধ্রপ্রদেশ ও ওড়িশা উপকূলের দিকে থাকতে পারে। ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হলে তার নাম হবে ‘অর্ণব’ এবং এই নামটি দিয়েছে বাংলাদেশ। (Weather Update)











