IIT বম্বের ২২ বছরের পড়ুয়া সাহিল ওয়াকোড়ের আত্মহত্যার ঘটনায় তোলপাড় গোটা দেশ। মামলায় অন্যতম অভিযুক্ত অধ্যাপক সূর্যনারায়ণ দুল্লাকে ছুটিতে পাঠানো হলো। তাঁর বিরুদ্ধে আত্মহত্যার প্ররোচনা দেওয়া ও জাতিগত বৈষম্যের অভিযোগে একটি মামলা দায়ের হয়েছে। আজ মুম্বই ক্রাইম ব্রাঞ্চের সামনে হাজির হওয়ার কথা অধ্যাপক দুল্লার। আত্মহত্যার ঘটনাকে কেন্দ্র করে পড়ুয়াদের বিক্ষোভের জেরে সোমবার তাঁকে IIT বম্বের প্রশাসনিক ডিনের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল (iit bombay)।
iit bombay: ১০ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন
পাশাপাশি একই সঙ্গে ছাত্রের আত্মহত্যার ঘটনার পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে ১০ সদস্যের উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এক সপ্তাহের মধ্যে রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে কমিটিকে। ওই ছাত্রের মা সোনালি ওয়াকোদ দাবি করেন, সাহিল তাদের বলেছিল,জাতিগত পরিচয়ের কারণে তাকে নির্যাতন, দুর্ব্যবহার ও অপমানের শিকার হতে হচ্ছিল (iit bombay)।
সংবাদমাধ্যমের সামনে সাহিলের মা বলেন, “ছেলে আমাদের স্পষ্টভাবে বলেছিল, অধ্যাপক সূর্যনারায়ণ দুল্লা বলতেন, ‘আমি উচ্চবর্ণের আর তুমি নিম্নবর্ণের।’ সাহিল আমাদের যা বলেছিল, সেই অনুযায়ী এই ঘটনা প্রায় তিন মাস ধরে চলছিল।” তিনি আরও জানান, ১৩সেপ্টেম্বর হস্টেলের ঘরে সাহিলের সঙ্গে দেখা করতে যান। তখন ছেলের উপরে হওয়া নির্যাতন ও দুর্ব্যাহারের কথা তাঁরা জানতে পারেন।
IIT বম্বের ‘ফ্যাকাল্টি ফোরাম’-এর সভাপতি রাজকুমার পন্ত জানিয়েছেন, সম্প্রতি সাহিল কোনও অভিযোগ নিয়ে প্রতিষ্ঠানের SC/STসেলে দ্বারস্থ হয়নি। তবে IIT বম্বের এই দাবি মানতে চায়নি সাহিলের পরিবার। তিনি বলেন, কর্তৃপক্ষ সাজানো কথা বলছে। যারা প্রতারণার অভিযোগ তুলছেন, তাদের অবশ্যই প্রমাণ দিতে হবে।
এই ঘটনায়, মুম্বই ক্রাইম ব্রাঞ্চ ইতিমধ্যেই তদন্তভার নিয়েছে। তাঁরা ক্যাম্পাসের সমস্ত CCTV ফুটেজ সংগ্রহ করেছে। পরীক্ষার সময়ে ঠিক কী ঘটেছিল, অধ্যাপক ও সাহিলের মধ্যে কী কথা হয়েছিল এবং তার পরবর্তী সময়ে কী ঘটেছিল—সেই সমস্ত তথ্য খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। IIT বম্বের সব স্টুডেন্টদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।












1 thought on “IIT বম্বে পড়ুয়ার মৃত্যুতে নয়া মোড়, ছুটিতে পাঠানো হলো অধ্যাপক সূর্যনারায়ণ দুল্লাকে”
Comments are closed.