আবারও ফের প্রকৃতিক দুর্যোগে মুখে নেপাল। গোরখা জেলায় বুড়ি গণ্ডকী নদীতে প্রবল বন্যায় ভেসে গেল তিনটি সেতু। এর মধ্যে রয়েছে দুটি ঝুলন্ত ফুটব্রিজ এবং একটি স্টিলের সেতু। বন্যার জলে একাধিক বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কোথাও বাড়িতে জল ঢুকেছে, আবার কোথাও বাড়ি সম্পূর্ণ ভেসে গিয়েছে। বেশ কয়েকটি বসতিও বিপদের মুখে। নেপাল পুলিশের তরফে এই তথ্য জানানো হয়েছে। (Nepal Flood Disaster)
ধসের জেরে নদীতে বাধা, তারপরই বন্যা
নেপাল পুলিশের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, চুমনুব্রি গ্রামীণ পুরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডে লোকপা এবং চুমলিংয়ের মাঝের এলাকায় ধস নামে। সেই ধসের জেরে বুড়ি গণ্ডকী নদীর জলপ্রবাহ আটকে যায়। এরপর নদীতে জলের চাপ বাড়তে শুরু করে। তার জেরেই আশপাশের এলাকায় বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়। ক্ষতিগ্রস্ত হয় একাধিক সেতু ও বাড়িঘর। (Nepal Flood Disaster)
ভেসে গেল দুটি ঝুলন্ত সেতু
চুমনুব্রি গ্রামীণ পুরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডে ন্যাকচেট এবং সিরদিবাসের মধ্যে যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম ছিল একটি পুরনো ঝুলন্ত ফুটব্রিজ। বন্যার জলে সেটি সম্পূর্ণ ভেসে গিয়েছে। সিরদিবাসের বাসিন্দা রাম বাহাদুর গুরুংয়ের একটি মাটির বাড়িও নদীর জলে ভেসে গিয়েছে। তাঁর অন্য একটি বাড়িতে জল ঢুকে পড়েছে। এছাড়াও, ধারচে গ্রামীণ পুরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মাচ্ছাখোলা থেকে কেরাউজার মধ্যে সংযোগকারী আরেকটি ঝুলন্ত ফুটব্রিজ ভেসে গিয়েছে। মাচ্ছাখোলার নিচু এলাকায় পাঁচ থেকে সাতটি বাড়ি এবং প্রায় সমসংখ্যক গোয়ালঘর ও অন্যান্য ঘরে জল ঢুকেছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
বিপদের মুখে একাধিক বাড়ি
ধারচে গ্রামীণ পুরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সাল্লেরি এলাকায় আরও ২০ থেকে ২২টি বাড়ি বিপদের মুখে রয়েছে। বন্যার জল বাড়তে থাকলে ওই বাড়িগুলিও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। অন্যদিকে, আরুঘাট গ্রামীণ পুরসভার ২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মধ্যে যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম ছিল সোটির ইস্পাতের সেতুটি। বুড়ি গণ্ডকী নদীর বন্যায় সেটিও ভেসে গিয়েছে। ফলে সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলিতে যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যাহত হয়েছে। পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে নেপাল প্রশাসন। (Nepal Flood Disaster)













3 thoughts on “ফের নেপালে প্রকৃতিক দুর্যোগ, গোরখায় ভয়াবহ বন্যা, জলের তোড়ে ভেসে গেল তিন সেতু”
Comments are closed.