ইনস্টাগ্রাম রিলসে দেখে সুন্দর জায়গায় ছবি তুলতে গিয়ে মর্মান্তিক পরিণতি হলো ১৮ বছরের এক পড়ুয়ার। তেলঙ্গানার মেডচল-মালকাজগিরি জেলার একটি জলভর্তি পাথরের খনিতে ডুবে মৃত্যু হল পবন সাই নামে এক বি.টেক পড়ুয়ার। শুক্রবার সন্ধ্যায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। রাতেই উদ্ধারকারী দল তাঁর দেহ উদ্ধার করে। মৃত পবন গীতাঞ্জলি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের প্রথম বর্ষের ছাত্র ছিলেন। (Telangana Drowning Incident)
ছবি তুলতে গিয়েই বিপত্তি
পুলিশ ও উদ্ধারকারী দলের আধিকারিকদের সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার কলেজের ১২ জন পড়ুয়ার একটি দল ওই খনিতে বেড়াতে গিয়েছিল। দলে তিন জন ছাত্রীও ছিলেন। (Telangana Drowning Incident) ইনস্টাগ্রাম রিলসে ওই জায়গার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য দেখে ছবি তোলার জন্য সেখানে যাওয়ার পরিকল্পনা করেন তাঁরা। সেখানে পৌঁছে দুই পড়ুয়া জলে নামেন। একটি পাথরের উপর বসে ছবি তুলছিলেন তাঁরা। কিছুক্ষণ পর তাঁদের মধ্যে এক জন অন্য একটি পাথরের দিকে এগিয়ে যান। সেটি ছুঁয়ে ফিরে আসবেন বলে জানান তিনি। কিন্তু ফেরার সময় জলে ডুবে যান পবন। তাঁর সাঁতার জানা ছিল না। ফলে জলের মধ্যে বিপাকে পড়েন তিনি। শেষ পর্যন্ত তাঁর মৃত্যু হয়।
অন্ধকার নামতেই শুরু উদ্ধারকাজ
শুক্রবার সন্ধ্যায় দুর্ঘটনার খবর পান আধিকারিকেরা। এরপর দ্রুত উদ্ধারকারী দলকে খবর দেওয়া হয়। হায়দরাবাদ ডিজাস্টার রেসপন্স অ্যান্ড অ্যাসেট প্রোটেকশন এজেন্সি বা হাইড্রার বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর (ডিআরএফ) দু’টি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। সন্ধ্যা গড়িয়ে অন্ধকার নামতে শুরু করায় উদ্ধারকাজে সমস্যা দেখা দেয়। খনিটির চারপাশে খাড়া পাথরের দেওয়াল থাকায় সেখানে পৌঁছনো কঠিন ছিল। পরে নৌকা নিয়ে খনির জলে তল্লাশি শুরু করেন উদ্ধারকারীরা। উদ্ধারকারী দলের ইনচার্জ পি স্বামীর নেতৃত্বে অভিযান চালানো হয়। প্রায় ১০ মিনিটের চেষ্টায় নৌকার সাহায্যে পবনের দেহ উদ্ধার করা সম্ভব হয়। (Telangana Drowning Incident)
দেহ ময়নাতদন্তে পাঠাল পুলিশ
পরে জওহরনগর থানার পুলিশ দেহটি নিজেদের হেফাজতে নেয়। এই ঘটনায় একটি মামলা রুজু করা হয়েছে। এরপর পবনের দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়। ইনস্টাগ্রাম রিলসে দেখা জায়গায় ছবি তুলতে গিয়ে এই দুর্ঘটনা ফের বিপজ্জনক জলাশয়ের কাছে সতর্ক থাকার প্রশ্ন তুলে দিল। (Telangana Drowning Incident)











