প্রতি বছরের মতো এবছরও তাই। উৎসব শুরুর আগেই বিভিন্ন প্রোডাক্টে সেল দিচ্ছে একাধিক ই-কমার্স সংস্থা। আপনি কি জানেন, এই সিজনে মাত্র ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই প্রায় ২৪,০০০ কোটি টাকার পণ্য বিক্রি করেছে এই ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মগুলি। ‘রেডসিয়ার স্ট্র্যাটেজি কনসালট্যান্টস’-এর তথ্য অনুযায়ী, এর মধ্যমে সবচেয়ে বেশি মোবাইল ফোনের অর্ডার (orders in e commerce)।
orders in e commerce: প্রায় ৮-৯ কোটির অর্ডার
অ্যামাজন, ফ্লিপকার্ট, মিশো, আজিও এবং অন্যান্য অনেক মার্কেটপ্লেস মিলিয়ে ক্রেতারা সব মিলিয়ে প্রায় ৮-৯ কোটি অর্ডার করেছেন। রেডসিয়ার স্ট্র্যাটেজি কনসালট্যান্টস-এর অ্যাসোসিয়েট পার্টনার নিখিল দালাল পিটিআই-কে জানিয়েছেন, উৎসবের মরসুমে ভারতের ই-কমার্স কেনাকাটার পরিধি যে আরও বিস্তৃত হচ্ছে, প্রথম দুদিনের প্রবণতাতেই তার ইঙ্গিত মিলেছে। অর্ডারের সংখ্যার ওপর ভিত্তি করেই মূলত এইটি ঘটছে। ক্রেতারা এখন কেবল মোবাইল ফোন নয়, ফ্যাশন, ইলেকট্রনিক্স এবং গৃহস্থালির বিভিন্ন যন্ত্রপাতির মতো পণ্যও কিনছেন (orders in e commerce)।
তিনি আরও বলেন, “কম দামের পণ্যগুলি বিশেষ সাড়া ফেলেছে। প্রথম দুই দিনেই জিএমভি (GMV)-র পরিমাণ ২.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার (প্রায় ২৪,২০০ কোটি টাকা) ছাড়িয়েছে এবং এই সময়ে প্রায় ৬ থেকে ৬.৫ কোটি ক্রেতা কেনাকাটায় অংশ নিয়েছেন।”
শনিবার পর্যন্ত সামগ্রিকভাবে সংস্থাগুলি ৯,১০০ কোটি থেকে ৯,৬০০ কোটি টাকার মোবাইল বিক্রি করেছে। যার জেরে সংস্থাগুলির মোট পণ্য বিক্রির ৩৮-৪০ শতাংশের ‘দখল’ নিয়েছে মোবাইল। মোবাইলের পর একটা বড় অংশের মানুষ টিভি, ফ্রিজ এবং এয়ারকন্ডিশনারও কিনছেন। রেডসিয়ারের হিসাব অনুযায়ী, উৎসবের প্রথম দিনের ক্রেতাদের মধ্যে প্রায় এক-তৃতীয়াংশই ছিল ‘জেন-জি’ (Gen Z) বা বর্তমান প্রজন্মের তরুণ ক্রেতা।













1 thought on “৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই ২৪,০০০ কোটির বিক্রি, পুজোর আগে বাজিমাত E-Commerce প্ল্যাটফর্মে”
Comments are closed.