রাজ্য খেলার দুনিয়া দেশ অজানা তথ্য মুশকিল আসান বিদেশ বিনোদন ব্যবসা ও বাণিজ্য লাইফস্টাইল ও স্বাস্থ্য টেক

---Advertisement---

গড়িয়া সাহাপাড়ায় অষ্টমীর ভোগ বিতরণ, ২০০০ মানুষের খাওয়ার আয়োজন

Published on: October 19, 2026
---Advertisement---

দুর্গাপুজোর অষ্টমীতে গড়িয়া সাহাপাড়ায় ভোগ বিতরণের আয়োজন সাহাপাড়া কল্যাণ সমিতির। অষ্টমীর সকালে অঞ্জলি দেওয়ার পরেই পাড়ার বাসিন্দারা একসঙ্গে বসে ভোগ গ্রহণ করেন। পুজোকে ঘিরে পাড়ার মানুষের মধ্যে তৈরি হয় উৎসবের পরিবেশ। (Garia Durga Puja) লাক্সারি লিভিংয়ের কর্ণধার সম্রাট রায়ের উদ্যোগ ও পরিচালনায় এই আয়োজন আরও সুন্দরভাবে সম্পন্ন হয়। পুজোর আনন্দে একসঙ্গে সামিল হওয়া এবং পাড়ার মানুষের মধ্যে সম্পর্ক আরও মজবুত করাই এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য। (Garia Durga Puja)

অষ্টমীর ভোগে বিশেষ আয়োজন

অষ্টমীর সকালে উপবাস করে অঞ্জলি দেওয়ার পর বাসিন্দাদের জন্য ভোগের ব্যবস্থা করা হয়। মেনুতে ছিল লুচি, সাদা আলুর তরকারি এবং মিষ্টি হিসেবে বুঁদে। পাশাপাশি খিচুড়ি ভোগেরও আয়োজন করা হয়। উদ্যোক্তাদের কথায়, সকালেই প্রায় ২০০ জনের বেশি মানুষ ভোগ গ্রহণ করেন। এরপর আরও কয়েকশো মানুষের খাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। রাতে প্রায় ২,০০০ মানুষের জন্য খিচুড়ি ভোগ। পাড়ার বাসিন্দা অর্জুন সাহা জানান, সাহাপাড়া কল্যাণ সমিতির পুজো তাঁদের কাছে বিশেষ আবেগের বিষয়। ক্লাবের সদস্যরা সকলে মিলে এই আয়োজন করেন। পুজোর দিনগুলিতে এলাকার অনেক বাসিন্দাই বাড়িতে রান্না করেন না। এখানেই ভোগ গ্রহণ করেন। (Garia Durga Puja)

১৯৮৮ সালে পুজোর শুরু

সাহাপাড়া কল্যাণ সমিতির সদস্যদের বক্তব্য, ১৯৮৮ সালে মাত্র ৬,৬৪৮ টাকা দিয়ে দুর্গাপুজো শুরু হয়েছিল। স্থানীয় বাসিন্দাদের দান ও সহযোগিতায় ধীরে ধীরে পুজোর পরিসর বাড়ে। এলাকার পুরনো বটগাছকে ঘিরেও রয়েছে নানা স্মৃতি। বাসিন্দাদের আর্থিক সহযোগিতায় শিবমন্দির ও দুর্গামণ্ডপ তৈরি হয়েছে বলেও জানান উদ্যোক্তারা। শম্ভুনাথ দে জানান, ছোটবেলায় পুজোর সময় শুধু আনন্দ করার সুযোগ ছিল। এখন পুজোর দায়িত্ব সামলাতে হয়। তাই আগের মতো আনন্দ করার সময় কমেছে। তবু পাড়ার সবাইকে একসঙ্গে নিয়ে পুজো করার আনন্দ আলাদা। (Garia Durga Puja)

এক পাড়া, এক পরিবার

স্থানীয় বাসিন্দা মৌসুমী মুখোপাধ্যায় ও মৌমিতা রায় জানান, অষ্টমীর অঞ্জলি এবং ভোগ বিতরণের এই আয়োজন তাঁদের খুব আনন্দ হয়। মায়ের কাছে সকলের সুস্থতা ও মঙ্গল কামনা করেন তাঁরা। তাঁদের মতে, পুজো মানেই একসঙ্গে থাকা এবং আনন্দ ভাগ করে নেওয়া। উদ্যোক্তাদের দাবি, সাহাপাড়ার ছোট-বড় সকলের সহযোগিতায় পুজোর আয়োজন হয়। প্রতিবছর অষ্টমীর অঞ্জলির পর বাসিন্দারা যাতে একসঙ্গে উপবাস ভাঙতে পারেন, সেই লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ চালিয়ে যেতে চান তাঁরা। (Garia Durga Puja)


Ranita Saha

নতুন নতুন বিষয় জানার ইচ্ছে থেকেই সাংবাদিকতার পেশায় আসা। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংবাদিকতার স্নাতকোত্তরের ছাত্রী। কলেজ জীবন থেকে বিভিন্ন পত্রপত্রিকার লেখালেখি শুরু। বাংলা, ইংরেজির পাশাপাশি হিন্দিতেও স্বচ্ছন্দ। রাজনীতি ছাড়াও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক এবং বিনোদন সংক্রান্ত খবর লিখতে ভালো লাগে। অবসর সময়ে বই একমাত্র বন্ধু। পড়ালেখার পাশাপাশি গান, নাচ এবং আঁকা ভালোবাসার বিষয়।

Join WhatsApp

Join Now

Subscribe on Youtube

Subscribe Now