রাজ্য খেলার দুনিয়া দেশ অজানা তথ্য মুশকিল আসান বিদেশ বিনোদন ব্যবসা ও বাণিজ্য লাইফস্টাইল ও স্বাস্থ্য টেক

---Advertisement---

হামলার পরও দমানো গেল না, পুজোয় কোটি টাকার বই বিক্রির দাবি সিপিএমের

Published on: October 23, 2026
---Advertisement---

শহর থেকে শহরতলি, জেলা থেকে কলকাতা প্রায় প্রতিদিনই খবর এসেছে বামেদের বুকস্টল ভাঙার। কিন্তু তাতেও দমানো যায়নি। প্রথম থেকেই দলের বার্তা ছিল চাপেও মাথানত নয়, বরং মানুষকে সঙ্গে নিয়ে ভাঙা স্টল গড়তে হবে। আর সেই মূলমন্ত্রই পালন করে লড়াই চালিয়ে গেছেন, পার্টির কর্মীরা (cpim book sale)। রাজ্যজুড়ে প্রায় সর্বত্রই বইয়ের স্টল গড়ে তোলা হয়। আর এতেই এবছর রেকর্ড বই বিক্রি হয়ছে। এখনও হিসেব শেষ না হলেও বই বিক্রিতে কোটির অঙ্ক ছুঁয়ে ফেলেছে তারা। ন্যাশনাল বুক এজেন্সির অধিকর্তা ও প্রকাশক সিপিএম নেতা অনিরুদ্ধ চক্রবর্তী বলেন, “পার্টির স্টলগুলিতে দলীয় পত্র-পত্রিকা ছাড়াও অন্যান্য প্রগতিশীল লেখকদের বই ইত্যাদি বিক্রি করা হয়। বিক্রি হওয়া বইয়ের ৭০ শতাংশই পার্টির পত্র-পত্রিকা।”

cpim book sale: কলকাতায় স্টলে কত বই বিক্রি?

চলতি সপ্তাহে বুধবারও সন্তোষপুর এলাকায় স্টলে গিয়ে বই বিক্রি করেন সিপিএম রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম। কসবার বিবি চ্যাটার্জি রোডের ৪০ বছর ধরে চলে আসা বুক স্টল এবার করতে দেয়নি পুলিশ এবং বিজেপি। কিন্তু স্টল হয়েছে। শাসকের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে স্টলের জন্য নিজের বাড়ির গ্যারেজে খুলে দিয়েছেন এলাকার বাসিন্দা মিলন বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর কথায়, যাঁরা বইয়ের মর্ম বোঝে না, তাঁরা হামলা করবে (cpim book sale)।

হালতুর শক্তি সংঘের সামনে বুকস্টল তুলে দিতে বলেছিল পুলিশ। স্টল তোলেননি সিপিএম কর্মীরা। উলটে এই পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে বিক্রি বেড়েছে ওই স্টলের। অতীতের সব হিসাব ছাপিয়ে গিয়েছে। একদিনে ১০ হাজার টাকার বই বিক্রি হয়েছে। যাদবপুরে যে বুকস্টল ভাঙতে বুলডোজার পর্যন্ত পৌঁছে গিয়েছিল সেখানে গতবার ৬ লক্ষ টাকার বই বিক্রি হয়ছিল এবার বেড়ে হয়েছে ১৬ লক্ষ টাকা। শুধু হালতু, কসবা নয়, দমদম, বারাকপুর, পুরুলিয়া, বারাসত সর্বত্রই হামলা হয়েছে। আসানসোলের কয়লা খনিতে মাটিতে বসেই বই বিক্রি করেন শ্রমিকরা। সেখানে মূলত হিন্দিতে অনুবাদ করা সাহিত্যের বই বিক্রি করা হয়। সেইসঙ্গে, মার্কসীয় সাহিত্য বিক্রি করা হয়।

হুগলি জেলায় কত বই বিক্রি?

পুজোয় সারা হুগলি জেলা মিলিয়ে মোট সাড়ে ১৩ লক্ষ টাকার বই বিক্রি হয়েছে। সবচেয়ে বেশি বই বিক্রি হয়েছে হুগলির উত্তরপাড়ায়। এখানে প্রায় ২ লক্ষ ৮০ হাজার টাকার বই বিক্রি হয়েছে। কোন্নগর ২ লক্ষ ৭৩ হাজার টাকার বই বিক্রি হয়েছে। পিছিয়ে নেই চণ্ডীতলা, ব্যান্ডেল, চুঁচুড়া, ডানকুনিও। বলাগড়ে প্রায় ২৫ হাজার টাকার বিক্রি হয়েছে। এবারে বুকস্টলের সংখ্যা ও বইয়ের সংখ্যাও ছিল অনেক বেশি। সারা রাজ্যে কমবেশি ১৭০০ স্টল হয়েছে সিপিএমের।


Rima Dutta Ghosh

প্রায় ৮ বছর ধরে সাংবাদিকতার জগতে। শুরুটা মোটেও মসৃণ ছিল না। যাদবপুর ইউনির্ভারসিটি থেকে মাস কম-এ পড়াশোনা করতে করতেই জেলা সাংবাদিকতায় ঢোকা। তারপর থেকেই শুরু চড়াই-উতরাই। সেখান থেকে এবটি ওয়েট পোর্টালে কপি রাইটার হিসাবে কাজ শুরু। তারপর টেলিভিশন জগতে। সেখানে প্রায় ৪ বছর কাজ করা। কপি রাইটার থেকে বুলেটিন প্রডিউসার। কথাটা সহজ হলেও পথ চলাটা ছিল কঠিন।

Join WhatsApp

Join Now

Subscribe on Youtube

Subscribe Now

1 thought on “হামলার পরও দমানো গেল না, পুজোয় কোটি টাকার বই বিক্রির দাবি সিপিএমের”

Comments are closed.