বঙ্গোপসাগরে ফের ঘূর্ণিঝড় তৈরির আশঙ্কা। কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর আগেই আবহাওয়ার পরিবর্তনের পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। সপ্তাহের শুরু থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় বৃষ্টি বাড়তে পারে। সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড়ের নাম হবে ‘অর্ণব’। তবে এখনও ঘূর্ণিঝড় তৈরি হয়নি। বঙ্গোপসাগরে আপাতত মেঘ জমা হচ্ছে । এই পরিস্থিতিতে নিম্নচাপ তৈরি হলে তা ধীরে ধীরে শক্তি বাড়িয়ে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে। (Cyclone Arnab)
ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণব?
দুর্গাপুজোর আগেও বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড় তৈরির সম্ভাবনা দেখা দিয়েছিল। সেবার পরিস্থিতি ঘূর্ণিঝড় তৈরির অনুকূল হয়নি। ফলে ‘অর্ণব’ নামের কোনও ঘূর্ণিঝড় তৈরি হয়নি। এবার ফের সেই সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। (Cyclone Arnab) তবে সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড়ের গতিপথ এখনও নিশ্চিত নয়। সেটি সরাসরি পশ্চিমবঙ্গের দিকে এগিয়ে আসবে কি না, তা স্পষ্ট নয়। পরিস্থিতির উপর নজর রাখছেন আবহবিদরা।
বাংলায় কোথায় কোথায় বৃষ্টির সম্ভাবনা?
বর্তমান পূর্বাভাস অনুযায়ী, সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড়টি ওড়িশার দক্ষিণ উপকূল এবং অন্ধ্রপ্রদেশের উত্তর উপকূলের কাছাকাছি স্থলভাগে প্রবেশ করতে পারে। সে ক্ষেত্রে সরাসরি বাংলায় আছড়ে না পড়লেও রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় এর প্রভাব পড়তে পারে। উপকূলবর্তী এলাকা এবং পশ্চিমের জেলাগুলিতে বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, মঙ্গলবার থেকেই বৃষ্টি শুরু হতে পারে। বুধবার থেকে শুক্রবার পর্যন্ত উপকূলবর্তী ও পশ্চিমের জেলাগুলিতে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পরিস্থিতি কোন দিকে এগোবে, তার উপর বৃষ্টির পরিমাণ এবং ঝোড়ো হাওয়ার গতিবেগ নির্ভর করবে। (Cyclone Arnab)
অর্ণব নাম কোন দেশ দিয়েছে? অর্থ কী?
আরব সাগর ও বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণ করে ১৩টি দেশ। এই তালিকায় রয়েছে বাংলাদেশ, ভারত, মলদ্বীপ, মায়ানমার, ওমান, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, তাইল্যান্ড, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, সৌদি আরব, ইয়েমেন এবং ইরান। সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’-এর নাম দিয়েছে বাংলাদেশ। ‘অর্ণব’ শব্দের অর্থ সাগর বা সমুদ্র। তবে নাম নির্ধারিত হলেও ঘূর্ণিঝড় তৈরি হওয়া এখনও নিশ্চিত নয়। আগামী কয়েক দিনের আবহাওয়ার পরিস্থিতির উপরই নির্ভর করছে বাংলায় এর প্রভাব কতটা পড়বে।(Cyclone Arnab)









