রাজ্য খেলার দুনিয়া দেশ অজানা তথ্য মুশকিল আসান বিদেশ বিনোদন ব্যবসা ও বাণিজ্য লাইফস্টাইল ও স্বাস্থ্য টেক

---Advertisement---

বেআইনিভাবে গাছ কাটার অভিযোগ দক্ষিণ ২৪ পরগনার জগদ্দলে, প্রোমোটিংয়ের আশঙ্কায় প্রতিবাদে স্থানীয়রা

Published on: October 25, 2026
---Advertisement---

দক্ষিণ ২৪ পরগনার দক্ষিণ জগদ্দলের আব্দুল হামিদের আমবাগানে একের পর এক পুরনো গাছ কাটা হচ্ছে। কোথাও পড়ে রয়েছে কাটা গাছের গুঁড়ি, কোথাও আবার ঝোপঝাড় দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছে সেগুলি। একসময় আম, কাঁঠাল, সবেদা ও লিচু গাছে ভরা এই বাগানের এমন ছবি দেখে ক্ষুব্ধ স্থানীয় বাসিন্দারা। গাছ কাটা বন্ধ করার দাবিতে সরব হয়েছেন পরিবেশপ্রেমী সমাজকর্মী ও বিজেপির কয়েকজন স্থানীয় নেতা-কর্মী। তাঁদের অভিযোগ, প্রোমোটিংয়ের উদ্দেশ্যে গাছ কাটা হতে পারে। যদিও এই অভিযোগের সত্যতা এখনও নিশ্চিত নয়। (Illegal Tree Cutting)

পুরনো গাছ কাটার অভিযোগ

স্থানীয়দের দাবি, পুজোর সময় বাগানে বেশ কয়েকটি বড় গাছ কাটা হয়েছে। তাঁদের একাংশের অভিযোগ, এখনও পর্যন্ত প্রায় সাতটি গাছ কাটা হয়েছে। কয়েকটি গাছের বয়স প্রায় ১০০ বছর বলেও দাবি করেছেন তাঁরা। (Illegal Tree Cutting) তবে গাছগুলির প্রকৃত বয়স বা কে সেগুলি কেটেছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। স্থানীয় বাসিন্দা বুদ্ধদেব রায় জানান, ছোটবেলা থেকেই এই বাগানে প্রচুর গাছ দেখে আসছেন তিনি। এখনও শিশুরা আম কুড়োতে আসে। গাছ কাটা চলতে থাকলে বাগানের সেই পুরনো পরিবেশ হারিয়ে যাবে। তাই প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন তিনি।

রাসায়নিক দিয়ে গাছ মারার অভিযোগও

সমাজকর্মীদের একাংশের অভিযোগ, কিছু গাছকে রাসায়নিক প্রয়োগ করে শুকিয়ে ফেলার চেষ্টা হতে পারে। এই অভিযোগের তদন্ত এবং গাছগুলির স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানোর দাবি উঠেছে।বেআইনিভাবে গাছ কাটার প্রমাণ মিললে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। (Illegal Tree Cutting)

বন দফতর ও পুলিশের দ্বারস্থ হওয়ার সিদ্ধান্ত

২৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা স্বপন নস্কর বলেন, “আব্দুল হামিদের আমবাগান একসময় গোলাপ খাস আমের জন্য পরিচিত ছিল। সেই বাগানের পুরনো গাছ হারিয়ে যাওয়ায় এলাকার মানুষ ক্ষুব্ধ।” ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের ৬ নম্বর বুথ সভাপতি তপন ভট্টাচার্যের বক্তব্য, গাছ বাঁচিয়েই উন্নয়ন করতে হবে, গাছ নষ্ট করে নয়। BJP র ১২২ নম্বর ওয়ার্ডের বুথ সভাপতি সমীর মণ্ডলও গাছ কাটার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েছেন। স্থানীয়দের দাবি, প্রশাসন, পুলিশ ও বন দফতর বিষয়টি খতিয়ে দেখুক। তারা নরেন্দ্রপুর থানায় অভিযোগ ও জানিয়েছে। আইন মেনে গাছ কাটার অনুমতি থাকলে তাঁদের আপত্তি নেই। তবে বেআইনিভাবে গাছ কাটা বন্ধ করতে হবে। পাশাপাশি একটি গাছ কাটলে তার পরিবর্তে অন্য জায়গায় অন্তত দু’টি থেকে তিনটি গাছ লাগানোর দাবিও উঠেছে। তাঁদের বক্তব্য, পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রেখেই উন্নয়নের কাজ করতে হবে। (Illegal Tree Cutting)


Ranita Saha

নতুন নতুন বিষয় জানার ইচ্ছে থেকেই সাংবাদিকতার পেশায় আসা। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংবাদিকতার স্নাতকোত্তরের ছাত্রী। কলেজ জীবন থেকে বিভিন্ন পত্রপত্রিকার লেখালেখি শুরু। বাংলা, ইংরেজির পাশাপাশি হিন্দিতেও স্বচ্ছন্দ। রাজনীতি ছাড়াও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক এবং বিনোদন সংক্রান্ত খবর লিখতে ভালো লাগে। অবসর সময়ে বই একমাত্র বন্ধু। পড়ালেখার পাশাপাশি গান, নাচ এবং আঁকা ভালোবাসার বিষয়।

Join WhatsApp

Join Now

Subscribe on Youtube

Subscribe Now