ই-পেপার রাজ্য খেলার দুনিয়া দেশ অজানা তথ্য মুশকিল আসান বিদেশ বিনোদন ব্যবসা ও বাণিজ্য লাইফস্টাইল ও স্বাস্থ্য টেক

---Advertisement---

ধনতেরাসে ভুলেও এই ৪টি কাজ করবেন না, রুষ্ট হবেন মা লক্ষ্মী

Published on: November 4, 2026
dhanteras 2026
---Advertisement---

ধনতেরাসে অনেকেই সোনা, রুপো কেনেন। এমনকি রান্নাঘরের সামগ্রী কেনার হিড়িক পড়ে যায় সব বাড়িতে। ধন শব্দের অর্থ সম্পত্তি বা ঐশ্বর্য। অন্যদিকে, ‘তেরস’ শব্দের উৎপত্তি হয়েছে ত্রয়োদশী তিথি থেকে। অর্থাৎ, কার্তিক মাসের কৃষ্ণপক্ষের ত্রয়োদশী তিথিতে পালিত উৎসবই হলো ধনতেরস বা ধনত্রয়োদশী। আগামী ৬ নভেম্বর, শুক্রবার দেশজুড়ে পালিত হবে এবারের ধনতেরাস। শাস্ত্র মতে, এই বিশেষ দিনটি হল সম্পদের দেবী লক্ষ্মী এবং স্বাস্থ্যের দেবতা ধন্বন্তরির জন্মতিথি। তাই এই পুণ্য তিথিতে নতুন কিছু কিনে সংসারে সুখ আর ভাগ্য ফেরানোর চেষ্টা করেন সবাই। তবে আপনি কি জানেন, এই জিনিস কেনাকাটির মধ্যেই এমন কিছু ভুল করে ফেলেন, যার মাশুল গুনতে হতে পারে সারা জীবন? জ্যোতিষ শাস্ত্র বলছে, এই জিনিসগুলি ঘরে আনলে লক্ষ্মীলাভ তো হবেই না, উলটে জীবনে আরও কষ্ট বাড়বে। তাহলে ধনতেরাসের দিন ঠিক কোন জিনিসগুলো কিনবেন আর কোন গুলো কিনবেন না (dhanteras 2026)।

dhanteras 2026: কী কী কিনবেন না?

১. কালো রঙের জিনিস কিনবেন না। উৎসবের আনন্দে কালো রং সব সময়ই অশুভ বলে ধরা হয়। তাই ধনতেরাসের পুণ্য লগ্নে কালো রঙের কোনও জিনিস একদম কিনবেন না। জামাকাপড় হোক বা ঘরের অন্য কোনও সাজানোর জিনিস, এই দিন কালো রং একেবারেই এড়িয়ে চলা উচিত।

২. শাস্ত্র মতে, লোহার সঙ্গে শনিদেবের একটা সরাসরি যোগ রয়েছে। তাই ধনতেরাসে লোহার তৈরি কোনও পাত্র বা জিনিসপত্র একদম কিনবেন না। বিশ্বাস করা হয়, এতে দেবী লক্ষ্মী রুষ্ট হন এবং জীবনে শনির অশুভ প্রভাব পড়তে শুরু করে।

৩.ঘর সাজাতে অনেকেই সুন্দর কাচের জিনিস কিনতে ভালোবাসেন। তবে ধনতেরাসের দিন কাচের তৈরি কোনও জিনিস না কেনাই ভালো। শাস্ত্র মতে, কাচের জিনিস কিনলে আপনার ভাগ্যের উপর খুব খারাপ প্রভাব পড়তে পারে।

৪. এইদিন ধারালো বা ছুঁচলো জিনিস বঁটি, ছুরি, কাঁচি বা ছুঁচ, জাতীয় কোনও জিনিস না কেনাই ভালো। শাস্ত্র মতে, এই ধরনের ধারালো বা ছুঁচলো জিনিস কেনা অমঙ্গলের। এতে সংসারে অশান্তি বাড়ে এবং ভাগ্য খারাপ হতে পারে। সঙ্গে বয়ে নিয়ে আসতে পারে দুর্ভাগ্য।


Follow Hindustan News Point Channel on WhatsApp

Rima Dutta Ghosh

প্রায় ৮ বছর ধরে সাংবাদিকতার জগতে। শুরুটা মোটেও মসৃণ ছিল না। যাদবপুর ইউনির্ভারসিটি থেকে মাস কম-এ পড়াশোনা করতে করতেই জেলা সাংবাদিকতায় ঢোকা। তারপর থেকেই শুরু চড়াই-উতরাই। সেখান থেকে এবটি ওয়েট পোর্টালে কপি রাইটার হিসাবে কাজ শুরু। তারপর টেলিভিশন জগতে। সেখানে প্রায় ৪ বছর কাজ করা। কপি রাইটার থেকে বুলেটিন প্রডিউসার। কথাটা সহজ হলেও পথ চলাটা ছিল কঠিন।

Join WhatsApp Channel

Join Now

Subscribe on Youtube

Subscribe Now