পার্কিং নিয়ে বিবাদের জের। শুক্রবার রাতে ফরিদাবাদের সেক্টর ২১সি-তে একটি আবাসিক ভবনে গুলিবিদ্ধ হলেন, প্রবাসী ইঞ্জিনিয়ার। তাঁকে লক্ষ্য করে ১৫ রাউন্ড গুলি চালানো হয় বলে অভিযোগ।পুলিশ জানিয়েছে, নিহত ইঞ্জিনিয়ারের নাম পরমজিৎ ধনখড়। তিনি সিঙ্গাপুরে ভিয়েতনাম-ভিত্তিক একটি আইটি প্রতিষ্ঠানের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে কর্মরত ছিলেন। শনিবার সন্ধ্যায় বল্লভগড়ের ডিএলএফ চকের কাছ থেকে পুলিশ ক্রাইম ব্রাঞ্চ প্রধান অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে (shot in faridabad)।
shot in faridabad: পারিবারিক অনুষ্ঠানে নিহত
পারিবারিক একটি অনুষ্ঠানে সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরেছিলেন পরমজিৎ। হরিয়ানার ফরিদাবাদে অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন। আনন্দ এক মুহূর্তে বদলে গেল বিষাদে। পার্কিংকে কেন্দ্র করে বচসা হতেই প্রতিবেশীর বন্দুকের গুলিতে মৃত্যু হল পরমজিতের। অভিযোগ, ১৫ রাউন্ড গুলি চালানো হয়েছিল। তার মধ্যে ৯টি গুলি তাঁর শরীরে লাগে (shot in faridabad0।
৫ নভেম্বর ভাইপোর বিয়ের জন্য ফরিদাবাদে এসেছিলেন পরমজিৎ। তদন্তকারীদের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে সেক্টর ২১সি-এর আবাসনের বাইরে এই ঘটনাটি ঘটে। পরমজিৎ তাঁর পরিবারের সঙ্গে ওই আবাসনের নিচতলায় থাকতেন, অভিযুক্ত মোহন শর্মা থাকতেন দ্বিতীয় তলায়। পুলিশ জানিয়েছে,“৬ নভেম্বর রাত সাড়ে ৮টার দিকে মোহন শর্মা তাঁদের দরজার এসে বেল বাজান এবং পরমজিৎকে তাঁর গাড়ি সরানোর জন্য নিচে পার্কিং এলাকায় ডেকে পাঠান। অভিযোগকারী যখন তাঁর বাবার সঙ্গে নিচে নামেন, তখন মোহন শর্মা পরমজিতের সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে পড়েন এবং বিবাদ আরও বেড়ে যায়।”
পুলিশের এসআই জানান,“ মোহন শর্মা একটি পিস্তল বের করে পরমজিৎকে লক্ষ্য করে বেশ কয়েক রাউন্ড গুলি চালায়। সে অভিযোগকারীর দিকেও গুলি ছোড়ে, তবে অভিযোগকারী গাড়ির আড়ালে আশ্রয় নিয়ে নিজের প্রাণ বাঁচান। গুলিতে পরমজিতের মৃত্যু হয়। এরপরেই অভিযুক্ত ব্যক্তি গাড়িতে করে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। ”ঘটনার পর ইন্সপেক্টর অনিল কুমারের নেতৃত্বে সেক্টর-৩০ ক্রাইম ব্রাঞ্চের একটি দল শনিবার অভিযুক্ত মোহন শর্মাকে গ্রেফতার করেছে।
এসআই যাদব বলেন, “প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে যে, অভিযুক্ত ও ভুক্তভোগীর মধ্যে প্রায়ই ছোটখাটো বিষয় নিয়ে ঝগড়া হতো। অভিযুক্তকে আদালতে হাজির করা হবে এবং পুলিশ তাকে রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন জানাবে।”













