রাজ্য খেলার দুনিয়া দেশ মুশকিল আসান বিদেশ বিনোদন ব্যবসা ও বাণিজ্য লাইফস্টাইল ও স্বাস্থ্য টেক

---Advertisement---

পরীক্ষা দুর্নীতিতে আরও কড়া কেন্দ্র, কীভাবে পাশ হয়েছিল ২০২৪-এর আইন?

Anti Paper Leak Act
---Advertisement---

পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস রুখতে ২০২৪ সালে সংসদে সর্বসম্মত সমর্থনে পাশ হয়েছিল Public Examinations (Prevention of Unfair Means) Act। এবার CJP-র নেতৃত্বে ছাত্র-যুব আন্দোলনের আবহে (Anti Paper Leak Act) সেই আইন আরও কঠোর করতে চলেছে মোদি সরকার। কী ছিল সেই আইনে, কেন বিরোধীরাও সমর্থন করেছিল এবং সংসদে কী কী যুক্তি উঠেছিল—জানুন বিস্তারিত।

Anti Paper Leak Act: লোকসভায় আলোচনা

২০২৪ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি লোকসভায় বিলটি পেশ করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং। তিনি জানান, প্রশ্নফাঁস, উত্তরপত্রে কারচুপি, ভুয়ো পরীক্ষার্থীসহ বিভিন্ন অনিয়ম রুখতেই এই আইন আনা হয়েছে। বক্তব্যের শুরুতেই তিনি রাজস্থানের কোটার ১৮ বছরের JEE পরীক্ষার্থী নিহারিকা সোলাঙ্কির আত্মহত্যার প্রসঙ্গ তুলে ধরেন। পরীক্ষার দু’দিন আগে লেখা তার সুইসাইড নোটের অংশ উদ্ধৃত করে তিনি বলেন, দেশের যুবসমাজের ভবিষ্যৎ রক্ষাই এই আইনের মূল লক্ষ্য।

কী রয়েছে আইনে?

(Anti Paper Leak Act) আইন অনুযায়ী, পরীক্ষায় অসাধু উপায়ে জড়িত ব্যক্তির তিন থেকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড এবং সর্বোচ্চ ১০ লক্ষ টাকা জরিমানার বিধান রয়েছে। সংগঠিত প্রশ্নফাঁস বা পরীক্ষা দুর্নীতির ক্ষেত্রে শাস্তি আরও কঠোর—সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং ১ কোটিরও বেশি জরিমানা। তবে পরীক্ষার্থী বা প্রার্থীদের এই আইনের আওতার বাইরে রাখা হয়েছে বলে স্পষ্ট করেন জিতেন্দ্র সিং।

ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফায় উচ্ছ্বসিত SFI, ‘বিজয় মিছিল’-এর ডাক সৃজন ভট্টাচার্যের

বিরোধীদের সমর্থন, সঙ্গে একাধিক প্রশ্নও

কংগ্রেস সাংসদ কোডিকুন্নিল সুরেশ বিলকে সমর্থন জানিয়ে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং বাতিল পরীক্ষার জন্য আলাদা পুনঃপরীক্ষা ব্যবস্থার দাবি জানান। অধীর রঞ্জন চৌধুরী বলেন, শাস্তির বিধান থাকলেও অপরাধ প্রতিরোধের কার্যকর ব্যবস্থা বিলে নেই। DMK- এর জেলা প্রশাসক কাথির আনন্দও একই প্রশ্ন তোলেন। জবাবে জিতেন্দ্র সিং বলেন, কঠোর শাস্তিই সবচেয়ে বড় প্রতিরোধ। (Anti Paper Leak Act)

NCP (SP)-র সুপ্রিয়া সুলে প্রশ্ন তোলেন, আগে থেকেই আইন থাকলে নতুন বিলের প্রয়োজন কী। তৃণমূলের কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি ছিল, এ ধরনের অপরাধ ভারতীয় দণ্ডবিধি ও ভারতীয় ন্যায় সংহিতাতেই অন্তর্ভুক্ত রয়েছে; সমস্যা আইনের অভাবে নয়, প্রয়োগে।

রাজ্যসভাতেও সর্বসম্মত সমর্থন

(Anti Paper Leak Act) ৯ ফেব্রুয়ারি রাজ্যসভায় বিলটি পেশ হলে কংগ্রেসের দিগ্বিজয় সিং নীতিগত সমর্থন জানিয়ে মধ্যপ্রদেশের ব্যাপাম কেলেঙ্কারির প্রসঙ্গ তোলেন এবং অনলাইন পরীক্ষার বদলে অফলাইন পরীক্ষার পরামর্শ দেন। বিজেপি সাংসদ প্রকাশ জাভাদেকর জাতীয় পরীক্ষা সংস্থা (NTA)-র প্রশংসা করে পরীক্ষা ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা আনার দাবি করেন। যদিও পরবর্তীতে ২০২৪ ও ২০২৬ সালে NTA পরিচালিত NEET-UG পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ সামনে আসে।

তৎকালীন আপ সাংসদ সন্দীপ পাঠক প্রশ্নফাঁসের দোষীদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার দাবি জানান। তার জবাবে কৌতুক করে জিতেন্দ্র সিং বলেন, সেই প্রস্তাব মানলে জেলে থাকা আপ নেতাদের সম্পত্তিও বাজেয়াপ্ত করতে হবে।

Anti Paper Leak Act: এবার আরও কঠোর হতে চলেছে আইন

বর্তমানে CJP-নেতৃত্বাধীন ছাত্র-যুব আন্দোলনের আবহে কেন্দ্র ২০২৪ সালের এই আইন আরও কঠোর করার প্রস্তুতি নিচ্ছে। সরকারের দাবি, প্রশ্নফাঁস ও পরীক্ষা দুর্নীতির বিরুদ্ধে আরও শক্তিশালী আইনি কাঠামো গড়ে তুলতেই সংশোধনী আনা হচ্ছে।

‘লাদাখের পুনরাবৃত্তি ঠেকাতেই অনশন ভাঙলাম’, বিস্ফোরক সোনম ওয়াংচুক


Ishani Halder

ছোটবেলা থেকেই খেলাধুলা ও ক্রিকেটের খবরের প্রতি আলাদা আগ্রহ ছিল। সেই আগ্রহ থেকেই সাংবাদিকতায় আসা। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছি। মূলত খেলার খবর লিখতেই বেশি ভালো লাগে, পাশাপাশি রাজনীতি, ভাইরাল ও বিভিন্ন চলতি বিষয় নিয়েও খবর লিখতে বিশেষ আগ্রহী। খেলাধুলা দেখতে ও তার বিভিন্ন দিক নিয়ে জানতে ভালো লাগে। দ্রুত ও নির্ভুলভাবে তথ্য পাঠকের কাছে পৌঁছে দেওয়াই মূল লক্ষ্য। লেখালিখির পাশাপাশি বই পড়তে খুব ভালো লাগে এবং নতুন বিষয় জানতে সবসময় আগ্রহী।

Join WhatsApp

Join Now

Join Telegram

Join Now

Leave a Comment