রাজ্য খেলার দুনিয়া দেশ মুশকিল আসান বিদেশ বিনোদন ব্যবসা ও বাণিজ্য লাইফস্টাইল ও স্বাস্থ্য টেক

---Advertisement---

মহাকাশ গবেষণায় ভারতের নতুন মাইলফলক, পাড়ি দিল ভারতের প্রথম বেসরকারি রকেট বিক্রম-১

vikram 1 launched
---Advertisement---

হাকাশে পাড়ি দিলো ভারতের প্রথম বেসরকারি স্পেস রকেট ‘বিক্রম ১’। শনিবার দুপুর ১২ টা ৫ মিনিট নাগাদ অন্ধ্রপ্রদেশের শ্রীহরিকোটার সতীশ ধবন স্পেস কেন্দ্র থেকে রকেটটি উৎক্ষেপণ করা হয়। প্রধানমন্ত্রীর হাতে লেখা ‘বন্দে মাতরম’ বার্তা, আকাশের বুক চিরে ছুটল ‘বিক্রম-১’ (vikram 1 launched)।

স্কাইরুট এরোস্পেসের তৈরি এই রকেট মূলত স্যাটেলাইটকে নির্দিষ্ট কক্ষপথে পৌঁছে দেওয়ার জন্যই তৈরি করা হয়েছে। বিক্রম-১-এর কক্ষপথ সমন্বয় মডিউলে সম্পূর্ণ থ্রিডি-প্রিন্টেড লিকুইড ইঞ্জিন ব্যবহার করা হয়েছে। এই প্রথম কোনও ভারতীয় উৎক্ষেপণ যানে এই ধরনের প্রযুক্তির ব্যবহার করা হয়েছে, দাবি সংস্থার।

এই রকেট তৈরিতে ব্যবহৃত উপাদান রকেট-গ্রেড স্টিলের চেয়ে হালকা এবং অনেক বেশি মজবুত। ফলে অন্যান্য রকেটের চেয়ে এর কার্যক্ষমতাও বেশি বলে দাবি করছেন নির্মাতারা (vikram 1 launched)।

রকেট উৎক্ষেপণের সময় ১০ সেকেন্ডের কাউন্টডাউন শুরু হয় শ্রীহরিকোটায়। শেষ হতেই আগুনের শিখা ছড়িয়ে প্রচণ্ড গতিতে তা আকাশের বুক চিড়ে ছুটে যায়। ঘন সাদা ধোঁয়ায় ঢেকে যায় গোটা এলাকা। উৎক্ষেপণের ভিডিয়ো প্রকাশ করেছে ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরোও।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এই অভিযানের অভূতপূর্ব সাফল্যের জন্য ‘স্কাইরুট’ (Skyroot) দলকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘পবন ও ভরত—আপনারা কেবল মহাকাশেই বৃক্ষ রোপণ করেননি, বরং নতুন প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করার লক্ষ্যে মাটিতেও ওই বৃক্ষের নতুন শিকড়কে পৌঁছে দিয়েছেন।’

বিক্রম ১-এর পিঠে রয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বার্তা— ‘বন্দে মাতরম’। এ ছাড়া, সারা বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ভারতের মহাকাশ অভিযানের জন্য শুভেচ্ছাবার্তা এসেছে। সেগুলিকেও কার্ডের সঙ্গে পাঠানো হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বেসরকারি সংস্থার তৈরি এই রকেটের সফল উৎক্ষেপণ ভারতের বাণিজ্যিক মহাকাশের ক্ষমতাকে আরও শক্তিশালী করবে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ, ভারতের বেসরকারি মহাকাশ সংস্থাগুলির জন্য নতুন সুযোগ তৈরি হতে পারে।


Rima Dutta Ghosh

প্রায় ৮ বছর ধরে সাংবাদিকতার জগতে। শুরুটা মোটেও মসৃণ ছিল না। যাদবপুর ইউনির্ভারসিটি থেকে মাস কম-এ পড়াশোনা করতে করতেই জেলা সাংবাদিকতায় ঢোকা। তারপর থেকেই শুরু চড়াই-উতরাই। সেখান থেকে এবটি ওয়েট পোর্টালে কপি রাইটার হিসাবে কাজ শুরু। তারপর টেলিভিশন জগতে। সেখানে প্রায় ৪ বছর কাজ করা। কপি রাইটার থেকে বুলেটিন প্রডিউসার। কথাটা সহজ হলেও পথ চলাটা ছিল কঠিন।

Join WhatsApp

Join Now

Join Telegram

Join Now

Leave a Comment