ধর্ষণের অভিযোগ তুললেন এক আমেরিকান মহিলা। ঘটনাটি ঘটেছে কর্নাটকের (Karnatak Crime) এক হোমস্টে-তে। মহিলার অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ হোমস্টেটির মালিক ও এক কর্মীকে গ্রেফতার করেছে। অভিযুক্ত বৃজেশ কুমার ঝাড়খণ্ডের বাসিন্দা এবং তিনি ওই হোমস্টেতে কাজ করতেন। অভিযোগ, পানীয়ের সঙ্গে মাদক মিশিয়ে নেশাগ্রস্ত করে ধর্ষণ করা হতো।
ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগে হোমস্টের মালিকের (Karnatak Crime) বিরুদ্ধেও মামলা করা হয়েছে। অভিযোগ, ওই তরুণী যাতে কারোর সঙ্গে যোগাযোগ করতে না পারেন, তাই তিনি তিন দিনের জন্য সেখানকার ওয়াইফাই পরিষেবা বিচ্ছিন্ন করে দেন।
প্রায় এক সপ্তাহ আগে কোডাগুর একটি জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্রের হোম-স্টেতে এমনই এক নারকীয় ঘটনা ঘটে। ওই মার্কিন তরুণীর অভিযোগ, হোম-স্টের এক কর্মী রাতের মহিলার ঘরে ঢুকে তাঁকে ধর্ষণ করে। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর সাহায্য করা তো দূরস্ত, উল্টে ওই মার্কিন পর্যটককে একটি ঘরে তিনদিন তালাবন্ধ করে রাখেন মালিক। কেড়ে নেওয়া হয় তাঁর মোবাইল ফোনও। পুলিশে অভিযোগ জানালে প্রাণনাশের হুমকি দেয় তারা।
দিন কয়েক আগে কোনওরকমে মুক্তি পেয়ে ওই পর্যটক মহীশূরে পৌঁছন। সেখান থেকেই আমেরিকার দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তাঁর সঙ্গে হওয়া গোটা ঘটনার কথা জানান ওই পর্যটক। দূতাবাসের মাধ্যমে খবর পৌঁছয় কর্নাটক পুলিশের কাছে। নড়েচড়ে বসে প্রশাসন। তড়িঘড়ি কোডাগু জেলার পুলিশ সুপার তদন্ত শুরু করেন এবং দু’জনকেই আটক করা হয়েছে।
এই বিষয়ে কোডাগুর পুলিশ সুপার জানিয়েছেন, ধৃতদের বিরুদ্ধে একাধিক ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। আদালত তাদের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন। ঠিক কতদিন আগে এই ঘটনা ঘটেছিল এবং মালিক কেন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।
ভারতের মাটিতে এমন নক্কারজনক ঘটনায় নিন্দার চোখে দেখছেন অনেকেই। ফের আরও একবার মহিলাদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।











