ডার্বির ইতিহাসে তিনি এক সফল নাম। মোহনবাগানের কোচ হিসেবে ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধে কখনও হারেননি (Antonio Lopez Habas) আন্তোনিও লোপেজ হাবাস। এবার ছবিটা সম্পূর্ণ উল্টো। লাল-হলুদের ডাগআউটে দাঁড়িয়ে প্রাক্তন দল মোহনবাগানের বিরুদ্ধে নামবেন স্প্যানিশ কোচ। ডার্বির আগে তাই স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে—অপরাজিত থাকার রেকর্ড কি অক্ষুণ্ণ থাকবে?
Antonio Lopez Habas: রেকর্ড নয়, বাস্তবেই নজর হাবাসের
ডার্বিতে নিজের অপরাজিত রেকর্ড নিয়ে কোনও আলোচনায় যেতে চাননি হাবাস। স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, অতীত অতীতই। এখন তাঁর সমস্ত মনোযোগ ইস্টবেঙ্গলকে ঘিরে। কলকাতার দুই বড় ক্লাবের কোচ হতে পেরে তিনি গর্বিত বলেও জানান। তাঁর কথায়, ফুটবলে খেলোয়াড়দের কমিটমেন্ট, মানসিকতা ও ত্যাগই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। ভারতীয় ফুটবলারদের মান নিয়েও তিনি যথেষ্ট আশাবাদী।

মাত্র পাঁচ দিনের প্রস্তুতি, তবু আক্রমণাত্মক ভাবনা
জিকসন সিংকে পাশে নিয়ে হাবাস স্বীকার করেন, মাত্র পাঁচ দিনের অনুশীলনে দল পুরোপুরি প্রস্তুত নয়। তবুও ডুরান্ড কাপের ডার্বির ফল দিয়ে গোটা মরসুম বিচার করতে নারাজ তিনি। সামনে AFC প্রতিযোগিতা থাকায় দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনাও মাথায় রাখছেন। তাঁর ফুটবল দর্শন আক্রমণাত্মক হলেও সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মতো সব উপকরণ এখনও হাতে নেই বলে স্বীকার করেছেন স্প্যানিশ কোচ (Antonio Lopez Habas)। একই সঙ্গে কম অনুশীলন, আর্দ্র আবহাওয়া ও ম্যাচের চাপের কারণে চোটের আশঙ্কার কথাও উল্লেখ করেন।
ভারতীয়দের ভরসাতেই ডার্বির নীলনকশা সাজিয়েছেন

(Antonio Lopez Habas) হাবাস জানান, শীঘ্রই একজন বিদেশি ও একজন ভারতীয় ফুটবলার দলে যোগ দেবেন। তবে ডার্বিতে মহম্মদ রশিদ ও দানি রামিরেজ তাঁর পরিকল্পনায় নেই। গোলে সম্ভাব্য পছন্দ প্রভসুখন গিল। রক্ষণে আনোয়ার আলির সঙ্গে সন্দীপ মান্ডি, দুই প্রান্তে লালচুংনুঙ্গা ও জয় গুপ্তা। মাঝমাঠে জিকসন সিং, রোহিত দানু, রোহিত কুমার ও বিপিন সিংয়ের ওপর ভরসা রাখছেন তিনি। আক্রমণে ডেভিড, এডমুন্ড ও পিভি বিষ্ণুর মধ্যে দু’জনকে দেখা যেতে পারে।
বল দখলে রেখে প্রতিপক্ষকে চাপে ফেলাই হবে ইস্টবেঙ্গলের লক্ষ্য। অতীতের আবেগ নয়, বর্তমানের বাস্তবতায় ভর করেই ডার্বিতে নতুন অধ্যায় লিখতে চান (Antonio Lopez Habas) আন্তোনিও লোপেজ হাবাস।
ফিজিক্যাল টিকিটের ঝামেলা শেষ? ডুরান্ড কাপে অনলাইন টিকিটধারীদের জন্য স্বস্তির খবর











1 thought on “ডার্বিতে হাবাসের নতুন মিশন, প্রাক্তন দলের বিরুদ্ধে কী কৌশল ইস্টবেঙ্গল কোচের?”