রাজ্য খেলার দুনিয়া দেশ মুশকিল আসান বিদেশ বিনোদন ব্যবসা ও বাণিজ্য লাইফস্টাইল ও স্বাস্থ্য টেক

---Advertisement---

গরুর হার্ট থেকে লিভার! আর্লিং হাল্যান্ডের ‘বিস্ট ডায়েট’ শুনে অবাক হবেন

Erling Haaland
---Advertisement---

বিশ্ব ফুটবলে তাঁকে অনেকেই ডাকেন ‘সাইবর্গ’ নামে। মাঠে তাঁর গতি, শক্তি এবং গোল করার ক্ষুধা দেখে সেই নাম যে অমূলক নয়, তা বারবার প্রমাণ করেছেন নরওয়ের তারকা স্ট্রাইকার (Erling Haaland) আর্লিং হাল্যান্ড। তবে সম্প্রতি আবারও চর্চার কেন্দ্রে উঠে এসেছেন তিনি, কোনও গোলের জন্য নয়, বরং তাঁর অবিশ্বাস্য খাদ্যাভ্যাসের কারণে। প্রতিদিন প্রায় ৬,০০০ ক্যালরি গ্রহণ করা (Erling Haaland) হাল্যান্ডের ডায়েটে রয়েছে এমন কিছু খাবার, যা শুনে অনেকেই অবাক হয়ে যাবেন— বিশেষ করে গরুর হার্ট এবং লিভার!

আধুনিক ফুটবলে যেখানে বেশিরভাগ খেলোয়াড় প্রোটিন শেক, সাপ্লিমেন্ট এবং নিয়ন্ত্রিত ডায়েটের উপর নির্ভর করেন, সেখানে হাল্যান্ড সম্পূর্ণ ভিন্ন পথ বেছে নিয়েছেন। তাঁর বিশ্বাস, শরীরকে সর্বোচ্চ পর্যায়ে রাখতে হলে প্রাকৃতিক এবং স্থানীয় উৎসের উচ্চ পুষ্টিগুণসম্পন্ন খাবারের কোনও বিকল্প নেই।

বর্তমানে ম্যানচেস্টার সিটি এবং নরওয়ে জাতীয় দলের হয়ে খেলা এই তারকা (Erling Haaland) ফুটবলারের দৈনিক খাদ্যতালিকায় রয়েছে গরুর হার্ট, লিভার, বড় আকারের স্টেক, টমাহক স্টেক, সি-বাস মাছ, অ্যাসপারাগাস, ডিম ভাজা ভাত, কাঁচা মধু এবং প্রচুর পরিমাণে দুধ। বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, তিনি প্রতিদিন প্রায় ৬,০০০ ক্যালরি গ্রহণ করেন, যা সাধারণ মানুষের দৈনিক ক্যালরির প্রয়োজনের প্রায় দ্বিগুণ।

‘হাল্যান্ড: দ্য বিগ ডিসিশন’ তথ্যচিত্রে নিজের খাদ্যাভ্যাস নিয়ে মুখ খুলেছিলেন এই তারকা। সেখানে তিনি বলেন, “অনেকে এসব খাবার খান না। কিন্তু আমি আমার শরীরের যত্ন নিতে চাই। যতটা সম্ভব স্থানীয় এবং উচ্চমানের খাবার খাওয়াটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে আমি মনে করি।” মাংস নিয়ে বিতর্ক প্রসঙ্গে তাঁর বক্তব্য, “সব মাংসকে একভাবে বিচার করা ঠিক নয়। স্থানীয়ভাবে ঘাস খাওয়া গরুর মাংস এবং প্রক্রিয়াজাত ফাস্টফুডের মাংস এক জিনিস নয়।”

শুধু খাদ্যাভ্যাসই নয়, নিজের ফিটনেস ধরে রাখতে হাল্যান্ড অনুসরণ করেন কঠোর রিকভারি রুটিনও। ম্যাচের পর নিয়মিত আইস বাথ, সনা, রেড-লাইট থেরাপি, ফিজিওথেরাপি এবং সকালে সূর্যালোক গ্রহণ তাঁর দৈনন্দিন জীবনের অংশ। এমনকি তিনি কাঁচা দুধকে নিজের “ম্যাজিক পোশন” বলেও উল্লেখ করেছেন। অনেক সময় কফির সঙ্গেও দুধ মিশিয়ে পান করেন তিনি।

প্রিমিয়ার লিগের ২০২৫-২৬ মরশুমে আর্সেনালের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে গ্যাব্রিয়েলের চাপ সামলে জয়সূচক গোল করে দলকে জেতানো, এরপর বার্নলির বিরুদ্ধেও গোল করে ম্যানচেস্টার সিটিকে লিগের দ্বিতীয় স্থানে তুলে আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন তিনি। প্রিমিয়ার লিগ শিরোপা হাতছাড়া হলেও মরশুমের সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবে ২৭ টি গোলের ঝুলি তাঁর কাছে। চলতি বিশ্বকাপে নরওয়কে শেষ ১৬ তে নিয়ে যেতে তাঁর (Erling Haaland) অবদান রয়েছে। চলতি বিশ্বকাপে তাঁর গোল সংখ্যা ৫।

ফুটবলের ইতিহাসে অসংখ্য কিংবদন্তি খেলোয়াড় এসেছেন, যাঁদের সাফল্যের পেছনে ছিল কঠোর পরিশ্রম ও শৃঙ্খলা। তবে আর্লিং হাল্যান্ড যেন সেই ধারণাকেই আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে গিয়েছেন। গরুর হার্ট থেকে শুরু করে কাঁচা দুধ, দিনে ৬,০০০ ক্যালরির খাদ্যাভ্যাস থেকে কঠোর রিকভারি রুটিন— সবকিছু মিলিয়ে নিজেকে তিনি গড়ে তুলেছেন এক ‘ফুটবল মেশিন’ হিসেবে। তাই (Erling Haaland) আর্লিং হাল্যান্ডের দুরন্ত গোল করার ক্ষমতার পিছনে শুধুই প্রতিভা নয়, এর পিছনে লুকিয়ে রয়েছে তাঁর এই ব্যতিক্রমী ‘বিস্ট ডায়েট’।

হ্যান্ডশেক উপেক্ষার মাশুল! ক্ষোভে এমবাপেকে বল ছুড়ে বিতর্কে প্যারাগুয়ে গোলরক্ষক


Ishani Halder

ছোটবেলা থেকেই খেলাধুলা ও ক্রিকেটের খবরের প্রতি আলাদা আগ্রহ ছিল। সেই আগ্রহ থেকেই সাংবাদিকতায় আসা। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছি। মূলত খেলার খবর লিখতেই বেশি ভালো লাগে, পাশাপাশি রাজনীতি, ভাইরাল ও বিভিন্ন চলতি বিষয় নিয়েও খবর লিখতে বিশেষ আগ্রহী। খেলাধুলা দেখতে ও তার বিভিন্ন দিক নিয়ে জানতে ভালো লাগে। দ্রুত ও নির্ভুলভাবে তথ্য পাঠকের কাছে পৌঁছে দেওয়াই মূল লক্ষ্য। লেখালিখির পাশাপাশি বই পড়তে খুব ভালো লাগে এবং নতুন বিষয় জানতে সবসময় আগ্রহী।

Join WhatsApp

Join Now

Join Telegram

Join Now

2 thoughts on “গরুর হার্ট থেকে লিভার! আর্লিং হাল্যান্ডের ‘বিস্ট ডায়েট’ শুনে অবাক হবেন”

Leave a Comment