[ছবি:এক্স]
সুইজারল্যান্ড ম্যাচে গোলশূন্য থেকেও আলোচনার কেন্দ্রে আর্জেন্টাইন অধিনায়ক, রেফারির সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়ে ছড়াল বিতর্ক (Messi Referee Clash)। বিশ্বকাপের নকআউট ম্যাচে লিওনেল মেসিকে সাধারণত শান্ত ও নিয়ন্ত্রিত মেজাজেই দেখা যায়। কিন্তু সুইজারল্যান্ডের বিরুদ্ধে কোয়ার্টার ফাইনালে সেই পরিচিত ছবিটাই যেন বদলে গেল। গোল না পেলেও ম্যাচের অন্যতম আলোচ্য বিষয় হয়ে উঠল পর্তুগিজ রেফারি জোয়াও পেদ্রো পিনেইরোর সঙ্গে তাঁর তর্ক, যা মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়ে ফুটবলমহলে। (Messi Referee Clash)
৯০ মিনিট শেষে ১-১ সমতায় থাকা ম্যাচে ১০ জনের সুইজারল্যান্ডকে অতিরিক্ত সময়ে ৩-১ ব্যবধানে হারিয়ে সেমিফাইনালে ওঠে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। জুলিয়ান আলভারেজ ও লাউতারো মার্তিনেজ়ের দ্রুত দুই গোলেই জয় নিশ্চিত হয়। তবে পুরো ম্যাচে সুইস ডিফেন্ডারদের কড়া মার্কিংয়ে আটকে থাকায় ২০২৬ বিশ্বকাপে প্রথমবার গোলশূন্য থাকেন মেসি। (Messi Referee Clash)
কী হয়েছিল রেফারির সঙ্গে?
(Messi Referee Clash) প্রথমার্ধে সুইজারল্যান্ড একটি ফ্রি-কিক পেলে আর্জেন্টিনার ডিফেন্স ওয়ালে দাঁড়িয়েছিলেন মেসি। সেই সময় রেফারি তাঁকে নির্ধারিত দূরত্বে সরে যেতে বলেন। কিন্তু রেফারির কথা বলার ভঙ্গি পছন্দ হয়নি আর্জেন্টাইন অধিনায়কের। সঙ্গে সঙ্গেই তিনি প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, “আমার সঙ্গে ঠিকভাবে কথা বলুন। অসম্মান করবেন না। আমি আপনাকে সম্মান দিয়েই কথা বলেছি, আপনিও আমার সঙ্গে সম্মান দিয়ে কথা বলুন।” শান্ত স্বভাবের মেসির এমন প্রতিক্রিয়া মাঠে উপস্থিত সমর্থকদেরও অবাক করে।
ম্যাচে রেফারি পিনেইরোর আরও একটি সিদ্ধান্ত নিয়েও আলোচনা হয়। দ্বিতীয়ার্ধে VAR-এর পরামর্শে সুইজারল্যান্ডের ব্রিল এমবোলোকে ডাইভিংয়ের অভিযোগে লাল কার্ড দেখান তিনি।
পর্তুগালের ভিলা নোভা দে ফামালিকাওয়ের ৩৮ বছর বয়সি জোয়াও পেদ্রো পিনেইরো ২০১৫ সালে দেশের শীর্ষ লিগে অভিষেক করেন। এক বছর পরই পান ফিফার আন্তর্জাতিক ব্যাজ। এরপর উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ, ইউরোপা লিগ এবং ২০২৫ উয়েফা সুপার কাপ পরিচালনার অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেই ২০২৬ বিশ্বকাপের ম্যাচ অফিসিয়াল হিসেবে দায়িত্ব পান তিনি।
আর্জেন্তিনার রেকর্ডের পর রেকর্ড, বিশ্বকাপে নজির গড়ে সেমিফাইনালে মেসিরা












3 thoughts on “সুইজারল্যান্ড ম্যাচে হঠাৎ মেজাজ হারালেন মেসি, কী হয়েছিল?”