৩৯ বছর বয়সেও পুরো টুর্নামেন্টে আর্জেন্টিনার ভরসা ছিলেন লিওনেল মেসি। তাঁর নেতৃত্বেই ধুঁকতে থাকা দল পৌঁছে গিয়েছিল ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের ফাইনালে। কিন্তু শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে যেন দেখা গেল ভিন্ন এক ছবি। স্পেনের সুপরিকল্পিত কৌশলের সামনে নিজের স্বাভাবিক প্রভাব বিস্তার করতে পারেননি আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। বিশ্বজয়ের পর সেই পরিকল্পনার নেপথ্যের গল্পই সামনে আনলেন স্পেনের কোচ (Luis De La Fuente) লুইস দে লা ফুয়েন্তে।
কীভাবে লিওনেল মেসিকে আটকাল স্পেন?
ইতালির সংবাদমাধ্যম রাই স্পোর্টস-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে স্প্যানিশ বস (Luis De La Fuente) জানান, ম্যাচের শুরু থেকেই তাঁদের লক্ষ্য ছিল মেসিকে বিপজ্জনক জায়গা থেকে দূরে রাখা। সে কারণেই স্পেন বলের দখল নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখার ওপর সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয়।
pic.twitter.com/NClyJJp9lx
— Pitch Wire (@wire_pitch) July 19, 2026
🗣️ Luis de la Fuente: “Above all, I feel an enormous sense of pride… pride in this generation of footballers who continued to grow with this idea, remained loyal to it, improved it and gave us a true example of unity, teamwork and family.
Beyond being…
(Luis De La Fuente) স্প্যানিশ কোচের কথায়, “পজেশন ফুটবল খেলেই আমরা মেসিকে বিপজ্জনক অঞ্চল থেকে দূরে রাখতে পেরেছি। ছেলেরা পরিকল্পনাটা দারুণভাবে বাস্তবায়ন করেছে।” স্পেনের দ্রুত পাসিং, নির্ভুল পজিশনিং এবং সম্মিলিত প্রেসিংয়ের ফলে মেসি প্রয়োজনীয় বলই পাননি। একক কোনো ডিফেন্ডারের ওপর নির্ভর না করে পুরো দল মিলে তাঁকে ম্যাচজুড়ে কার্যত নিষ্ক্রিয় করে রাখে।
অঝোরে কাঁদলেন মেসি, বিদায়বেলায় বললেন—’স্পেনই ছিল সেরা’
ম্যাচ জিতেও মেসিকে সম্মান স্পেনের
শিরোপা জয়ের উচ্ছ্বাসের মধ্যেও মেসির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা প্রকাশ করেছেন (Luis De La Fuente) দে লা ফুয়েন্তে। তাঁর মতে, এই বয়সেও মেসির উপস্থিতি প্রতিপক্ষকে সবসময় সতর্ক থাকতে বাধ্য করে।
(Luis De La Fuente) তিনি বলেন, “ম্যাচের আগে আমি খেলোয়াড়দের বলেছিলাম, মেসির বিপক্ষে খেলা ফুটবলের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জগুলোর একটি। এই বয়সেও প্রথম থেকে শেষ মিনিট পর্যন্ত সে আমাদের সম্মান আদায় করে নিয়েছে।”
Luis de la Fuente: "Messi eşi benzeri olmayan, muazzam bir yeteneğe sahip. Tekrarlanamaz bir oyuncu." pic.twitter.com/PVMBluk7MV
— FutbolArena (@futbolarena) July 19, 2026
শেষ বাঁশির পর ফুটবলের নির্মম বাস্তবতার কথাও তুলে ধরেন স্প্যানিশ কোচ। তাঁর ভাষায়, “এক দল যখন ট্রফি নিয়ে উদযাপন করে, অন্য দল তখন হতাশায় ভেঙে পড়ে। কিন্তু এই পরাজয় মেসির কিংবদন্তি মর্যাদাকে একটুও কমাতে পারেনি। ইতিহাসের অন্যতম সেরা ফুটবলার হিসেবেই সে এই বিশ্বকাপ শেষ করেছে, আর আমার দলের প্রতিটি খেলোয়াড় তার বিপক্ষে খেলতে পেরে গর্বিত।”
বিশ্বজয়ের নায়ক ফেরান তোরেসের গল্প শুরু কলকাতায়











1 thought on “মেসিকে কীভাবে থামাল স্পেন? বিশ্বজয়ের পর রহস্য উন্মোচন দে লা ফুয়েন্তের”