প্রথম দফায় ভোটে ১৫২টি আসনের মধ্যে বিজেপির দখলে থাকবে ১১০টিরও বেশি আসন।’ শুক্রবার অমিত শাহের এহেন দাবির পরই সুর চড়াল বঙ্গের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের চ্যালেঞ্জ, “এরা বলেছিল বাংলায় নাকি ভোট কেটে ক্ষমতায় আসবে। কালকে প্রথম দফার ভোট হয়ে গিয়েছে। বিজেপির ছটফটানি দেখতে পাচ্ছেন? কী মনে হচ্ছে কাল প্রথম দফার ভোটে কী হয়েছে? আমি রাজনৈতিক ভবিষ্যৎবাণী করি না। কিন্তু যখন করি, মেলে। আপনারা দেখেছেন, একুশেও মিলেছে, চব্বিশেও মিলেছে, ছাব্বিশেও মিলবে। আমি আপনাদের বলে দিয়ে যাচ্ছি তৃণমূল কংগ্রেস কাল সেঞ্চুরি পার করে দিয়েছে। আর দশ দিন পর মিলিয়ে নেবেন।”(Abhisekh Banerjee to BJP)
দিন কয়েক আগে অভিষেকের এক বক্তব্যকে সামনে রেখে শুক্রবার নিশানা করেছিলেন শাহ। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর অভিযোগ ছিল, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁকে কটূ কথা বলেছেল। শাহের এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের দাবি, আমার মুখ থেকে কোনওদিন একটা বাজে শব্দ গত পনেরো বছরে কেউ শুনেছেন? আমি জল খেতে বলেছি। মাথা ঠান্ডা রাখতে বলেছি। জল খাওয়া, মাথা ঠান্ডা রাখা গরমে সবার উচিত। বেশি করে জল খাও মাথা ঠান্ডা রাখো। আর আমি তো বলেছি আপনারা খালি নির্বাচনের সময় কেন, সারা বছর বাংলায় আসুন। সারা বছর বাংলায় এসে ফুচকা খান, ঝালমুড়ি খান, রোল খান। কচুরি-সিঙ্গারা-জিলিপি খান। কোনও অসুবিধা নেই।” (Abhisekh Banerjee to BJP)
পাশাপাশি শুক্রবার সকালে গঙ্গাবঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ক্যামেরা হাতে ছবি তোলার প্রসঙ্গটির কটাক্ষ করেন অভিষেক। তাঁর কথায়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘মা-মাটি-মানুষ’ সরকারের টুরিজমে সবথেকে বড় ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হচ্ছেন নরেন্দ্র মোদী। তিনি তো প্রচার করে দেখিয়ে দিলেন বাংলার গঙ্গা কত সুন্দর, রাস্তা কত সুন্দর। মনে রাখবেন, যেখানে দাঁড়িয়ে উনি মুড়ি খাচ্ছিলেন, সেই রাস্তাটা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। ফুটপাথটা ঝাড়গ্রাম মিউনিসিপালিটির তৈরি করা।”
এর পরই অভিষেকের প্রশ্ন, ‘আচ্ছা যে ছেলেটা মুড়ি বিক্রি করছে সে বলছে তার বাড়ি বিহারে। বিহারে তো নরেন্দ্র মোদির ডাবল ইঞ্জিন। তাহলে তাদের পেটের দায়ে বাংলায় এসে মুড়ি বিক্রি করতে হচ্ছে কেন?’ (Abhisekh Banerjee to BJP)
আরও পড়ুন : Amit Shah: ‘প্রথম দফাতেই ১১০ আসন পাবে BJP’, সাংবাদিক বৈঠকে বড় দাবি অমিত শাহ-র












