রাজ্য খেলার দুনিয়া দেশ মুশকিল আসান বিদেশ বিনোদন ব্যবসা ও বাণিজ্য লাইফস্টাইল ও স্বাস্থ্য টেক

---Advertisement---

Anandapur Fire: ‘মৃত্যুপুরী আনন্দপুর’ – কীভাবে বন্ধ হলো গুদামের গেট? প্রকাশ্যে রিপোর্ট

Anandapur Fire
---Advertisement---

আনন্দপুরের আগুন লেগেছিল সোমবার ভোররাতে। তারপর মাঝে কেটে গিয়েছে একদিন। উদ্ধার হয়েছে একাধিক দগ্ধ দেহ। পাশাপাশি নিখোঁজ রয়েছেন বেশ কয়েকজন।

অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় প্রাথমিকভাবে অভিযোগ উঠেছিল, বাইরে থেকে দরজা লাগিয়ে দেওয়া হয়। এর জন্য নিখোঁজ কর্মীদের পরিবারের বেশ কয়েকজন কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছিল গুদামের মালিককে।

তা হলে সেদিন কি আসলেই বাইরে থেকে দরজাটা কেউ বন্ধ করে দিয়েছিল? যার জেরে পুড়ে মরতে হয়েছিল কর্মীদেরকে? নাকি নেপথ্যে অন্য কোনও কারণ?

ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় একটি প্রাথমিক তদন্ত রিপোর্ট তৈরি করেছে পুলিশ। মনে করা হচ্ছে, জ্বলন্ত ওই কারখানায় বাইরে থেকে কেউ তালা মারেনি। বরং টিনের চাল ভেঙে পড়েই নাজিরাবাদের কারখানা বদ্ধভূমে পরিণত হয়। 

তাহলে ভয়াবহ কাণ্ডের অন্যতম কারণ প্রধান গেট খুলে কেউ বের হতে পারেননি। কিন্তু কেন গেট খুলতে পারেননি?

‘মৃত্যুপুর’ আনন্দপুর, নিখোঁজ পূর্ব মেদিনীপুরের ১৩ জন— পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস প্রশাসনের

পুলিশের ধারণা, শক্তি ব্যয় করেও সেই গেট খুলতে পারেননি ফুলের গেট সাজানোর কর্মীরা। বিকল্প গেটের সন্ধানও করেন তাঁরা। কিন্তু তাও মেলেনি। সবশেষে টিনের চালটি ভেঙে বেরনোরও চেষ্টা করেছিলেন আটকে পড়া কর্মীরা। কিন্তু সেখানে গ্যাস সিলিন্ডার ফেটে যায়। পুড়ে মৃত্যু হয় কর্মীদের।

প্রায় একই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল মোমো সংস্থার গুদামের সামনেও। ওই গুদামের গেটের সামনেই জ্বলছিল আগুন। ফলত সেই গেটের চাবি নিজেদের হাতে থাকলেও আগুনের লেলিহান শিখার জেরে গেটের কাছ পর্যন্ত পৌঁছাতে পারছিলেন না তিন মোমো সংস্থার কর্মী। সেখানেই আবার মজুদ করা হয়েছিল প্রচুর পাম তেল। কিছুক্ষণের মধ্যে সেগুলিতেও আগুন লেগে যায়। মৃত্যুর আগে প্রাণ বাঁচাতে গেট লাগোয়া একটি অফিসে ঠাঁই নিয়েছিলেন তাঁরা। সেখান থেকেই শেষবার কথা হয়েছিল পরিবারের সঙ্গে। হাজার চেষ্টা করেও শেষ রক্ষা হয়নি।


Hindusthan News Point

রাজ্য, দেশ, বিদেশ, খেলা ও বিনোদনের নির্ভরযোগ্য খবর এক প্ল্যাটফর্মে। আমরা তুলে ধরি সত্য, বাস্তব ও মানুষের কথা। Voice of the Nation

Join WhatsApp

Join Now

Join Telegram

Join Now

Leave a Comment