রাজ্য খেলার দুনিয়া দেশ মুশকিল আসান বিদেশ বিনোদন ব্যবসা ও বাণিজ্য লাইফস্টাইল ও স্বাস্থ্য টেক

---Advertisement---

Byron Biswas: ‘ভয় পেয়ে নয়…২০০-র বেশি আসন পাবে TMC’, পাল্টি খেল বায়রন বিশ্বাস

---Advertisement---

জঙ্গিপুরে ইভিএম স্ট্রংরুম বিতর্কের পর অবশেষে ড্যামেজ কন্ট্রোলো নামলেন বায়রন বিশ্বাস (Byron Biswas)। শনিবার রাতে নিজের ফেসবুক পেজে একটি ভিডিয়ো পোস্ট করে তিনি জানালেন, ভয় পেয়ে নয়, অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই করতেই তিনি সেখানে গিয়েছিলেন। একই সঙ্গে আগের মন্তব্য নিয়ে ব্যাখ্যা দিয়ে তিনি দাবি করেন, ‘হাইপার হয়ে কিছু কথা বলেছিলাম।’ তবে আত্মবিশ্বাসী সুরে জানিয়ে দেন, ২০২৬ সালের নির্বাচনে তৃণমূল ২০০-র বেশি আসন পাবে। পাশাপাশি বিজেপি নেতা অমিত মালব্যের বিরুদ্ধে নিজে আদালতে গিয়ে মামলা করবেন বলে জানান।

জঙ্গিপুর পলিটেকনিক কলেজে থাকা স্ট্রংরুমের নিরাপত্তা নিয়ে শুক্রবার গভীর রাতে উদ্বেগ ছড়ায়। অভিযোগ উঠেছিল, স্ট্রং রুমের ভিতরের এবং বাইরের সিসিটিভি ক্যামেরাগুলি মাঝেমধ্যেই কাজ করা বন্ধ করে দিচ্ছে। বিষয়টি নজরে আসতেই ঘটনাস্থলে পৌঁছেছিলেন বায়রন বিশ্বাস। তাঁর অভিযোগ, ক্যামেরার পাশাপাশি দীর্ঘক্ষণ আলোও বন্ধ ছিল। এই পরিস্থিতিতে বায়রন বিশ্বাস যে বক্তব্য রেখেছিলেন তা ঘিরে ব্যাপক শোরগোল পড়ে। সেই প্রসঙ্গে মুখ খুলেছেন বাকিরাও।

বায়রনের অভিযোগ ছিল, তৃণমূল প্রার্থীদের পরিকল্পিত ভাবে হারানোর জন্য গভীর চক্রান্ত করা হয়েছিল। তিনি বলেছিলেন, ‘গভীর রাতে বার বার কেন ক্যামেরা বন্ধ হবে? কেনই বা দীর্ঘক্ষণ আলো নিভিয়ে রাখা হয়েছিল? বিষয়টি নিয়ে আধিকারিকদের জানানোর পরেও কেন দ্রুত সমাধান করা হয়নি? আমাদের হারানোর জন্যই এই ধরনের কৌশল নেওয়া হচ্ছে।’

তবে নির্বাচনী নিয়ম অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় বাহিনী ও পুলিশ তাঁকে ভিতরে ঢোকার অনুমতি দেয়নি। এর পরেই উত্তেজনা বাড়ে বলে অভিযোগ। যদিও বায়রন তাঁর সাম্প্রতিক ভিডিয়োতে সেই ঘটনার ব্যাখ্যা দিয়ে বলেন, তিনি অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছেন মাত্র, ভয় পেয়ে পিছিয়ে যাননি। তাঁর কথায়, ‘আমি লড়েছি, লড়ে যাব।’

এর আগেই বায়রন বিশ্বাস দাবি করেছিলেন, পরিকল্পিত ভাবে তৃণমূল প্রার্থীদের (Byron Biswas) হারানোর চেষ্টা চলছে। এমনকি তিনি একাধিক আসনে দলের পরাজয়ের আশঙ্কার কথাও বলেছিলেন, যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। সেই মন্তব্য নিয়েই বিতর্ক বাড়ে।


Rima Dutta Ghosh

প্রায় ৮ বছর ধরে সাংবাদিকতার জগতে। শুরুটা মোটেও মসৃণ ছিল না। যাদবপুর ইউনির্ভারসিটি থেকে মাস কম-এ পড়াশোনা করতে করতেই জেলা সাংবাদিকতায় ঢোকা। তারপর থেকেই শুরু চড়াই-উতরাই। সেখান থেকে এবটি ওয়েট পোর্টালে কপি রাইটার হিসাবে কাজ শুরু। তারপর টেলিভিশন জগতে। সেখানে প্রায় ৪ বছর কাজ করা। কপি রাইটার থেকে বুলেটিন প্রডিউসার। কথাটা সহজ হলেও পথ চলাটা ছিল কঠিন।

Join WhatsApp

Join Now

Join Telegram

Join Now

Leave a Comment