রাজ্য খেলার দুনিয়া দেশ মুশকিল আসান বিদেশ বিনোদন ব্যবসা ও বাণিজ্য লাইফস্টাইল ও স্বাস্থ্য টেক

---Advertisement---

“হারতে পারি হারিয়ে যাইনি”, নতুন শ্লোগান সিপিএমের, ঘুরে দাঁড়ানোর নতুন নীল নকশা

CPM
---Advertisement---

এবার তরুণ প্রজন্মকে সামনে রেখে লড়াইয়ের বার্তা। হতাশা কাটিয়ে নতুন পথের খোঁজে কল্যাণীতে সিপিএমের চিন্তন শিবির। দীর্ঘদিনের নির্বাচনী ব্যর্থতা এবং সংগঠনের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে বাড়তে থাকা হতাশা কাটাতে, কর্মীদের মন চাঙ্গা করতে নতুন উদ্যোগ নিচ্ছে সিপিএম। আগামী দিনে রাজনৈতিক লড়াইয়ের রূপরেখা ঠিক করতে এবং ছাত্র-যুব সংগঠনের কর্মীদের নতুনভাবে উজ্জীবিত করতে কল্যাণীতে আয়োজন করা হচ্ছে দলের বিশেষ চিন্তন শিবির (CPM)।

CPM: কী এই চিন্তন শিবির?

সূত্রে খবর, এই শিবিরের মূল বার্তা হবে— “হারতে পারি, কিন্তু হারিয়ে যাইনি।” নেতৃত্বের মতে, ভোটে ধারাবাহিক সাফল্য না মিললেও বিভিন্ন গণআন্দোলন, প্রতিবাদ কর্মসূচি এবং জনস্বার্থের বিভিন্ন ইস্যুতে এখনও বামপন্থীরাই সক্রিয় ভূমিকায় রয়েছে। এবার সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করতে চায় বাম শিবির।

জেলা থেকে শহর রাজ্যের বিভিন্ন সংগঠনের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে। শুধু পার্টির সাংগঠনিক অবস্থা নয়, ছাত্র, যুব, শ্রমিক, কৃষক ও অন্যান্য গণসংগঠনের কার্যকলাপ সম্পর্কেও তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। সেই রিপোর্টের ভিত্তিতেই আগামী দিনের কর্মসূচি ও আন্দোলনের রূপরেখা তৈরি হবে।

কী বলছেন দলীয় নেতৃত্বরা?

দলীয় নেতৃত্বের একাংশের মতে, বহু ছাত্র-যুব কর্মী আন্দোলনের ময়দানে সক্রিয় থাকলেও ভোটের ফলাফল প্রত্যাশামতো না হওয়ায় তাদের মধ্যে হতাশা তৈরি হয়েছে। অনেকেই আগের মতো মাঠে নামতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না। চিন্তন শিবিরে সেই হতাশা দূর করে কর্মীদের আরও কাছে টানবে। উদ্যমের সঙ্গে সংগঠনের কাজে যুক্ত করার চেষ্টা হবে।

রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের একাংশের মধ্যে উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তা বেড়েছে। তাদের পাশে দাঁড়িয়ে জনসংযোগ বাড়ানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্বাচন, শিক্ষক নিয়োগে স্বচ্ছতা, হকারদের জীবিকা রক্ষা, ভোটার তালিকা সংক্রান্ত অভিযোগ এবং বিভিন্ন জনজীবনের সমস্যাকে আন্দোলনের কেন্দ্রবিন্দুতে আনার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।


Rima Dutta Ghosh

প্রায় ৮ বছর ধরে সাংবাদিকতার জগতে। শুরুটা মোটেও মসৃণ ছিল না। যাদবপুর ইউনির্ভারসিটি থেকে মাস কম-এ পড়াশোনা করতে করতেই জেলা সাংবাদিকতায় ঢোকা। তারপর থেকেই শুরু চড়াই-উতরাই। সেখান থেকে এবটি ওয়েট পোর্টালে কপি রাইটার হিসাবে কাজ শুরু। তারপর টেলিভিশন জগতে। সেখানে প্রায় ৪ বছর কাজ করা। কপি রাইটার থেকে বুলেটিন প্রডিউসার। কথাটা সহজ হলেও পথ চলাটা ছিল কঠিন।

Join WhatsApp

Join Now

Join Telegram

Join Now

Leave a Comment