---Advertisement---
lifezone nursing home

“দুই-চারদিন ব্রেকিং-হবে, পরে সব চাপা পড়ে যাবে”, কালীঘাটে CID হানা নিয়ে কটাক্ষ নওশাদের

June 9, 2026 10:28 PM
Nawsad Siddique
---Advertisement---

সই জালকাণ্ডে তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি। মঙ্গলবার দুপুরে কালীঘাটে তৃণমূলের অফিসে পৌঁছে যান CID-র আধিকারিকেরা। সেখানে প্রায় ঘণ্টা দুয়েক ধরে চলে তল্লাশি। পাশাপাশি ক্যামাক স্ট্রিটেও অভিষেকের অফিসে তল্লাশি অভিযান চলায় CID. রাজ্যের প্রাক্তন শাসকদলকে আক্রমণ শানালেন ভাঙড়ের বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি (Nawsad Siddique)। পাশাপাশি বর্তমান রাজ্য সরকার বিজেপিকেও একহাত নিলেন।

তিনি তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে খোঁচা দিয়ে বলেন, “দুই-চারদিন ব্রেকিং নিউজে আসবে। তারপরেই সবকিছু চাপা পড়ে যাবে। ইতিমধ্যেই ইডি-সিবিআইয়ের হাতে যে সব মামলা রয়েছে, গরু পাচার, কয়লা পাচার, বালি চুরি একাধিক বিষয়ে সেই সময় যদি তাঁরা সঠিক পদক্ষেপ নিতেন তাহলে আজকে সিআইডি গেছে সেটা ব্রেকিং নিউজ করতে হত না। শুধুমাত্র মানুষের সামনে এটা দেখানো হচ্ছে বর্তমান রাজ্য সরকার অনেক কাজ করছে। এর থেকে বেশিকিছু দেখতে পারছি না”।

তিনি সেটিং তত্ত্ব দিয়ে আরও বলেন, “কোনও না কোনও জায়গায় টপ লেভলের একটা সেটিং কাজ করছে। কালীঘাটের কাকুর ভয়েস এখনও প্রকাশ হল না। এইগুলো ছিল কেন্দ্রীয় এজেন্সির হাতে। তখন শুভেন্দুবাবুকে এই নিয়ে একটাও শব্দ খরচ করতে শোনা যায়নি। সুতরাং সিআইডি পাঠিয়ে বিশাল কিছু হয়ে যাবে এটা আমি বিশ্বাস করতে পারলাম না”।

তিনি আরও বলেন, “যা সরানোর তা আগেই সরিয়ে নিয়েছে। সিআইডি ফাঁকা ময়দান ছাড়া আর কিছুই পাবে না। যা পাপ করেছিল, সেই ফল ভুগতে হচ্ছে তৃণমূলকে। যাঁরা ছেড়ে যাচ্ছেন, সাধারণ মানুষ আপনাদের ক্ষমা করবেন না। বিজেপিকে যে ভাবে ‘ব’ কলমে সহযোগিতা করছে। ধর্মনিরপেক্ষ মানুষের ভোট নিয়ে বিজেপিকে যাঁরা সাহায্য করছে তাঁদের মানুষ কিছুতেই ক্ষমা করবে না। গণতান্ত্রিকভাবে তাঁদের উত্তর দেবে”।

গতকাল দিল্লিতে সাংসদের বৈঠক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “তৃণমূলের প্রাক্তন ও বর্তমান নেতৃত্ব যাঁরা দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতি করছেন,যাঁরা বিধায়কও ছিলেন তাঁরা এখন দল হেরে যাওয়ার পর সব দোষ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে দিচ্ছেন। তাহলে আগে তাঁদের মুখ খোলা উচিত ছিল। হেরে গিয়ে কেন মুখ খুলছেন”।


Rima Dutta Ghosh

প্রায় ৮ বছর ধরে সাংবাদিকতার জগতে। শুরুটা মোটেও মসৃণ ছিল না। যাদবপুর ইউনির্ভারসিটি থেকে মাস কম-এ পড়াশোনা করতে করতেই জেলা সাংবাদিকতায় ঢোকা। তারপর থেকেই শুরু চড়াই-উতরাই। সেখান থেকে এবটি ওয়েট পোর্টালে কপি রাইটার হিসাবে কাজ শুরু। তারপর টেলিভিশন জগতে। সেখানে প্রায় ৪ বছর কাজ করা। কপি রাইটার থেকে বুলেটিন প্রডিউসার। কথাটা সহজ হলেও পথ চলাটা ছিল কঠিন।

Join WhatsApp

Join Now

Subscribe on Youtube

Join Now

Leave a Comment