দক্ষিণবঙ্গে ফের সক্রিয় হচ্ছে কালবৈশাখী পরিস্থিতি। (Weather Update) কলকাতাসহ দক্ষিণবঙ্গের সব জেলাতেই বৃহস্পতিবার বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা জানাল আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। কোথাও কোথাও তীব্র ঝড়, দমকা হাওয়া এবং ভারী বৃষ্টির আশঙ্কাও রয়েছে। আবহাওয়াবিদ সৌরিশ বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, ২৮ ও ২৯ মে দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাতের অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
(Weather Update) আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী দু’দিন পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম এবং পশ্চিম বর্ধমান জেলায় ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা তুলনামূলক বেশি। কোথাও কোথাও দমকা হাওয়ার তীব্রতাও বাড়তে পারে। শনিবার বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকলেও রবিবার থেকে ধীরে ধীরে কমবে বৃষ্টির পরিমাণ।
কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় আজ দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি থাকতে পারে। তবে মেঘলা আকাশ ও বৃষ্টির কারণে আগামী দুই-তিন দিন তাপমাত্রা কিছুটা কম থাকবে। এর ফলে সাময়িকভাবে অস্বস্তিকর গরম থেকে স্বস্তি মিললেও জুনের শুরু থেকেই ফের বাড়তে পারে তাপমাত্রা। আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, আগামী কয়েক দিনে দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় তাপমাত্রা ২ থেকে ৪ ডিগ্রি পর্যন্ত ওঠানামা করতে পারে।
(Weather Update) উত্তরবঙ্গেও আজ ও আগামিকাল বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে মালদা, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা বেশি। দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহারে বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টি হলেও আগামী কয়েক দিনে ধীরে ধীরে কমবে তার প্রভাব। উত্তরবঙ্গেও জুনের প্রথম সপ্তাহ থেকে গরম ও আর্দ্রতা বাড়তে পারে বলে পূর্বাভাস।
এদিকে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু মধ্য বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত কিছুটা অগ্রসর হয়েছে। যদিও এখনও ভারতের মূল ভূখণ্ডে বর্ষা প্রবেশের নির্দিষ্ট দিনক্ষণ ঘোষণা করেনি মৌসম ভবন। (Weather Update) সাধারণত উত্তরবঙ্গে ৫ জুনের পর এবং দক্ষিণবঙ্গে ১০ জুনের পর বর্ষা প্রবেশ করে। আবহাওয়াবিদদের মতে, আন্দামানে নির্ধারিত সময়ের আগেই বর্ষা ঢুকে পড়ায় বাংলাতেও বর্ষা আগেভাগে আসার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
অন্যদিকে সমুদ্র উত্তাল থাকার আশঙ্কায় ২৮ ও ২৯ মে মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। আবহাওয়া দপ্তরের তরফে সতর্ক করা হয়েছে, উপকূলবর্তী এলাকায় মাঝেমধ্যে দমকা হাওয়ার গতিবেগ বৃদ্ধি পেতে পারে।
২০ বছর পর ফের নিষেধাজ্ঞা, ভারতীয় আমে ‘না’ জাপানের, আশঙ্কায় কৃষকরা









