রাজ্য খেলার দুনিয়া দেশ মুশকিল আসান বিদেশ বিনোদন ব্যবসা ও বাণিজ্য লাইফস্টাইল ও স্বাস্থ্য টেক

---Advertisement---

West Bengal Election 2026: “জিততে হলে ঝাল মুড়ি খেতে হয়”, প্রধানমন্ত্রীকে খোঁচা বাবুলের

West Bengal Election 2026
---Advertisement---

ঝাড়গ্রামে সভা শেষ হতেই হেলিপ্যাডের দিকে এগোনোর সময় আচমকাই থমকে যায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর (West Bengal Election 2026) কনভয়। পড়ন্ত দুপুরে গাড়ি থেকে নেমে প্রধানমন্ত্রী ধীর পায়ে এগিয়ে যান কলেজ মোড় এলাকার একচিলতে ছোট্ট একটি ঝালমুড়ির দোকানের দিকে। সেখানে গিয়ে দোকানদারের কাছ থেকে চেয়ে ঝালমুড়ি খান। অনেকেই ভাবেননি সামনে থেকে প্রধানমন্ত্রীকে এই ভাবে চাক্ষুস করতে পারবেন। রাস্তায় দাঁড়িয়ে ঝালমুড়ি খাওয়া প্রধানমন্ত্রীর জনসংযোগকে এক অন্যমাত্রায় পৌঁছে দিয়েছে। আর এই নিয়েই আক্রমণ শানাতে ছাড়ছে না বিরোধীরা।

রবিবার সন্ধ্যায় পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার শালবনি বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী শ্রীকান্ত মাহাতোর সমর্থনে শালবনি বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত গোয়ালতোড় এলাকায় রোড শো করে নির্বাচনী প্রচার করেন রাজ্যসভার সাংসদ তথা বিশিষ্ট সঙ্গীত শিল্পী বাবুল সুপ্রিয়। রবিবার সন্ধ্যায় বাবুল সুপ্রিয় রোড শো-তে এলাকার কয়েক হাজার মানুষ সামিল হয়েছিলেন। রোড শো করার পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে প্রধানমন্ত্রীর ঝাল মুড়ি খাওয়া নিয়ে বলেন, “অনেক দেরি হয়ে গেল, আমি তো বহুদিন আগে খেয়েছিলাম। ঝালমুড়ি খেয়ে দিদির সঙ্গে কথা বলেই আমি ইষ্ট-ওয়েষ্ট মেট্রোটা করতে পেরেছি। তখন বিজেপি থেকে আমার অনেকেই গালাগালি করেছিল। প্রধানমন্ত্রী ঝালমুড়ি খেয়ে বুঝিয়ে দিলেন, তিনি কোনও ভুল করেননি, জিততে হলে ঝালমু়ড় খেতে হবে।”

এছাড়াও বিজেপিকে বিঁধে তিনি বলেন, “ভোটের সময় প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলছে আমাকে ভোট দিন আমরা এই কাজ করব ওই কাজ করব। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সে কথা বলতে হয়নি। তিনি যা করার, আগেই করেন এবং তা অব্যাহত রাখেন। বিজেপির আসল উদ্দেশ্য হলো জাতপাত ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করে মানুষের মধ্যে ভেদাভেদ সৃষ্টি করা।”

তিনি আরও বলেন, “যারা বাংলার উন্নয়নকে (West Bengal Election 2026) স্তব্ধ করে দেওয়ার জন্য চক্রান্ত করে বাংলা ভাষায় কথা বলার জন্য বাঙালিদের উপর অত্যাচার করে তাদেরকে বাংলার মানুষ কোনদিনই ক্ষমা করবে না।” তাই বাংলা বিরোধী বাংলা ভাষা বিরোধী সাম্প্রদায়িক শক্তি বিজেপিকে বাংলা থেকে রাজনৈতিকভাবে উৎখাত করার জন্য তিনি সর্বস্তরের মানুষের কাছে আবেদন জানান।

তিনি আরও বলেন, “একমাত্র মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, যিনি ২০১১ সালে রাজ্যে ক্ষমতায় আসার পর উন্নয়নের মাধ্যমে জঙ্গলমহলে শান্তি প্রতিষ্ঠা করেছেন। তাই জঙ্গলমহলের শান্তিকে অটুট রাখার জন্য এবং উন্নয়নের ধারাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য ঘাসের ফুলে ভোট দিন।”


Rima Dutta Ghosh

প্রায় ৮ বছর ধরে সাংবাদিকতার জগতে। শুরুটা মোটেও মসৃণ ছিল না। যাদবপুর ইউনির্ভারসিটি থেকে মাস কম-এ পড়াশোনা করতে করতেই জেলা সাংবাদিকতায় ঢোকা। তারপর থেকেই শুরু চড়াই-উতরাই। সেখান থেকে এবটি ওয়েট পোর্টালে কপি রাইটার হিসাবে কাজ শুরু। তারপর টেলিভিশন জগতে। সেখানে প্রায় ৪ বছর কাজ করা। কপি রাইটার থেকে বুলেটিন প্রডিউসার। কথাটা সহজ হলেও পথ চলাটা ছিল কঠিন।

Join WhatsApp

Join Now

Join Telegram

Join Now

Leave a Comment