রাজ্য খেলার দুনিয়া দেশ মুশকিল আসান বিদেশ বিনোদন ব্যবসা ও বাণিজ্য লাইফস্টাইল ও স্বাস্থ্য টেক

---Advertisement---

Donald Trump : যুদ্ধ থামাতে ‘ভরসা’ ৪৫ দিনের বিরতি, ট্রাম্পের বেঁধে দেওয়া সময়সীমায় চাপে তেহরান?

Donald Trump
---Advertisement---

হাতে আর কয়েক ঘণ্টা। যুদ্ধের চরম আশঙ্কার মধ্যেই যুদ্ধে ইতি টানার জন্যই আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে আমেরিকা এবং ইরান। স্থায়ী যুদ্ধ বিরতি দাবি দীর্ঘদিন ধরেই করে আসেছ। তবে আপাতত লক্ষ্য একটাই, অন্তত অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করা । গতকালই ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump) কড়া ভাষায় ইরানকে ডেডলাইন বেঁধে দিয়েছেন, যা বাড়িয়ে মঙ্গলবার সন্ধ্যা পর্যন্ত করা হয়েছে। তারপরই কঠোর পদক্ষেপ নিতে পারে হোয়াইট হাউজ। তবে দুপক্ষই মধ্যস্থতায় আসতে চাইছে, এমনটাই জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ‘অ্যাক্সিওস’।

পশ্চিম এশিয়ার বেশ কয়েকটি দেশের মধ্যস্থতাকারীরাও ওই আলোচনায় শামিল হয়েছেন। আমেরিকা,ইজ়রায়েল এবং স্থানীয় স্তরের বেশ কয়েকটি সূত্র উদ্ধৃত করে এমনটাই জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ‘অ্যাক্সিওস’। সংবাদসংস্থা রয়টার্স ‘অ্যাক্সিওস’-এর প্রতিবেদনটি তুলে ধরে জানিয়েছে, এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ভাবে কিছু বলতে চায়নি হোয়াইট হাউস কিংবা মার্কিন বিদেশ দফতর।

সূত্রের খবর, মধ্যস্থতাকারীরা একটি দুই-পর্যায়ের চুক্তি তৈরির চেষ্টা করছেন। প্রথম ধাপে ৪৫ দিনের জন্য সংঘাত স্থগিত রাখা যায় কি না, তা নিয়ে আলোচনা চলছে। ৪৫ দিনের সংঘর্ষ বিরতি সফল হলে দ্বিতীয় ধাপে যুদ্ধ বন্ধ করার বিষয়ে আলোচনা শুরু হবে বলে জানানো হয়েছে ওই প্রতিবেদনে।

এই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে দুটি বড় বিষয়—হরমুজ প্রণালী খুলে দেওয়া এবং ইরানের উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম ভাণ্ডার বন্ধ করা। সূত্রের খবর,যুদ্ধবিরতির সময়সীমার মধ্যে ইরান কিছু সীমিত পদক্ষেপ করতে পারে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

গতকালই ইরানকে ৪৮ ঘণ্টা সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিলেন ট্রাম্প (Donald Trump) এবং বোঝাপড়ায় আসতে বলেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ‘ফক্স নিউজ়’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইরানের উদ্দেশে তিনি বলেন, “ওরা যদি দ্রুত বোঝাপড়ায় না-আসে, তা হলে আমি সব উড়িয়ে দেব আর তেলের দখল নেব।” আর তারপরেই মার্কিন সংবাদমাধ্যম ‘অ্যাক্সিওস’-এর তরফে এমনই একটি রিপোর্ট প্রকাশ্যে আনে।


Rima Dutta Ghosh

প্রায় ৮ বছর ধরে সাংবাদিকতার জগতে। শুরুটা মোটেও মসৃণ ছিল না। যাদবপুর ইউনির্ভারসিটি থেকে মাস কম-এ পড়াশোনা করতে করতেই জেলা সাংবাদিকতায় ঢোকা। তারপর থেকেই শুরু চড়াই-উতরাই। সেখান থেকে এবটি ওয়েট পোর্টালে কপি রাইটার হিসাবে কাজ শুরু। তারপর টেলিভিশন জগতে। সেখানে প্রায় ৪ বছর কাজ করা। কপি রাইটার থেকে বুলেটিন প্রডিউসার। কথাটা সহজ হলেও পথ চলাটা ছিল কঠিন।

Join WhatsApp

Join Now

Join Telegram

Join Now

Leave a Comment