অতিরিক্ত মদ্যপান ও মাদক সেবনের ফল। মৃত্যু হলো সৌদি রাজপুত্র আবদুল্লাহ ইবনে ফাহাদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে আবদুল আজিজ ইবনে জালাভি আল সৌদের। গত বছর ২৫ নভেম্বর লন্ডনের কেনসিংটনের ম্যারিয়ট হোটেল থেকে তাঁর দেহ উদ্ধার হয়। চলতি মাসেই ব্রিটিশ আদালতের তদন্তের স্বার্থে ময়নাতদন্তের (Inquest) রিপোর্ট প্রকাশে আসতেই এই ঘটনাটি জনসমক্ষে আসে (saudi prince dead)।
saudi prince dead: কী ঘটেছিল সেইদিন?
‘ইনার ওয়েস্ট লন্ডন করোনার্স কোর্ট’-এ প্রস্তাবিত তথ্য-প্রমাণ অনুযায়ী, প্রিন্স আবদুল্লাহ গত ১৯ নভেম্বর রাতে লন্ডনের কেনসিংটনের ম্যারিয়ট হোটেলে গিয়ে উঠেছিলেন। সেখানে তাঁর এক সপ্তাহ থাকার কথা ছিল। মৃত্যুর আগের সন্ধ্যায় সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায় তিনি সিগারেট খাওয়ার জন্য হোটেলের বাইরে বেরিয়েছেন (saudi prince dead)।
পরের দিন হোটেলের এক সাফাইকর্মী তাঁর ঘরে প্রবেশ করেন। সেই সময় তিনি দেখেন প্রিন্স আবদুল্লাহ বাথরুমের মেঝেতে পড়ে রয়েছেন। এরপরই সেই সাফাই কর্মী গোটা বিষয়টি হোটেল কর্তৃপক্ষকে জানায়। এরপর বাথরুমের মেঝে থেকে তাঁকে তুলে নিয়ে গিয়ে হাসপাতালে নিয়ে গেলে, চিকিৎসক মৃত বলে ঘোষণা করে।
তদন্তে জানা গিয়েছে, তাঁর রক্তে অ্যালকোহলের মাত্রা ছিল প্রতি ১০০ মিলিলিটারে ২২২ মিলিগ্রাম, যা ইংল্যান্ডে গাড়ি চালানোর অনুমোদিত আইনি সীমার প্রায় তিন গুণ বেশি। এমনকি মাদকও পাওয়া গেছে তাঁর শরীরে। বিভিন্ন মাদক ও ওষুধের সংমিশ্রণই হৃদরোগে আক্রন্ত হওয়ার কারণ। বিশেষজ্ঞরা আদালতকে জানিয়েছেন, কেবল অ্যালকোহলের এই মাত্রার কারণেই তিনি কোমায় চলে যেতে পারতেন।
তদন্তকারী অফিসাররা আদালতকে জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন ধরে প্রিন্স আবদুল্লাহ মদ্যপান ও মাদক সেবনে আসক্তি হয়ে পড়েছিলেন। তিনি ২০২৫ সালের আগস্ট মাসে রোহ্যাম্পটনের প্রায়োরি ক্লিনিকে ভর্তি হয়েছিলেন। সেখানে অ্যালকোহল, বেনজোডায়াজেপিন এবং প্রেগাবালিনের আসক্তি থেকে মুক্ত পাওয়ার জন্য তাঁর চিকিৎসা চলছিল।












