জাতীয় স্তরের গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশিকা পরীক্ষা NEET-UG ২০২৬-কে ঘিরে ফের বিতর্ক। পরীক্ষার মাত্র একদিন আগে মহারাষ্ট্রের নাগপুরের এক পরীক্ষার্থী তাঁর অ্যাডমিট কার্ডে পরীক্ষাকেন্দ্র হিসেবে সংযুক্ত আরব আমিরশাহির আবু ধাবির নাম দেখে কার্যত হতবাক হয়ে যান। ঘটনায় চরম অস্বস্তিতে পড়েছে পরিবার, আর নতুন করে প্রশ্নের মুখে পড়েছে ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি (NTA)-র পরীক্ষাপরিচালনা ব্যবস্থা।
জানা গিয়েছে, নাগপুরের ওই ছাত্র প্রথমবার NEET পরীক্ষার জন্য নাগপুরকেই প্রথম পছন্দের পরীক্ষাকেন্দ্র হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন। পাশাপাশি দ্বিতীয় ও তৃতীয় বিকল্প হিসেবে ওয়ার্ধা এবং ভান্ডারা শহরের নাম দিয়েছিলেন। প্রথম পরীক্ষার সময় তাঁর কেন্দ্র ছিল নাগপুরের সরস্বতী বিদ্যালয়। কিন্তু প্রশ্নপত্র ফাঁস বিতর্কের জেরে (NEET) পুনঃপরীক্ষার সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর নতুন অ্যাডমিট কার্ড ডাউনলোড করে তিনি দেখেন, তাঁর পরীক্ষাকেন্দ্র হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে আবু ধাবি ইন্ডিয়ান স্কুল, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি।
এই অপ্রত্যাশিত ভুলে রীতিমতো দিশেহারা পরিবার। পরীক্ষার্থীর বাবা মোহাম্মদ তালিব জানান, “আমরা কোনওভাবেই ছেলেকে বিদেশে পরীক্ষা দিতে পাঠাতে পারব না। ওর পাসপোর্ট পর্যন্ত নেই। (NEET) পরীক্ষার আর মাত্র একদিন বাকি, এই অবস্থায় বিদেশযাত্রার ব্যবস্থা করা অসম্ভব।”
Reference the issue with regard to allotment of a centre in Abu Dhabi to a candidate in Nagpur, NTA would like to state the following:
— National Testing Agency (@NTA_Exams) June 20, 2026
Following the rescheduling of NEET (UG) 2026 to 21 June, the National Testing Agency reopened the examination-city correction window to assist…
ঘটনার পর পরিবার NTA-র হেল্পলাইনে অভিযোগ জানায়। অভিযোগ পাওয়ার পর সংস্থা বিষয়টি স্বীকার করেছে বলে দাবি পরিবারের। NTA জানিয়েছে, তথ্য যাচাইয়ের পর সংশোধিত অ্যাডমিট কার্ড জারি করা হবে।
এদিকে, এই ঘটনাকে ‘গুরুতর প্রশাসনিক ত্রুটি’ বলে কটাক্ষ করেছেন মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী ড. আনিস আহমেদ। তিনি অবিলম্বে পরীক্ষার্থীর জন্য নাগপুর বা নিকটবর্তী কোনও শহরে নতুন পরীক্ষাকেন্দ্র বরাদ্দ করার দাবি জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য, ২১ জুন অনুষ্ঠিত হতে চলা NEET-UG ২০২৬ পুনঃপরীক্ষায় প্রায় ২২.৭৯ লক্ষ পরীক্ষার্থী অংশ নেবেন। দেশজুড়ে ৫৫১টি শহর এবং বিদেশের ১৪টি শহরে পরীক্ষা নেওয়া হবে। (NEET) পরীক্ষাকে স্বচ্ছ রাখতে GPS-সজ্জিত যানবাহনে প্রশ্নপত্র পরিবহণ, পুলিশি নিরাপত্তা, আধারভিত্তিক বায়োমেট্রিক যাচাই, CCTV নজরদারি এবং রিয়েল-টাইম মনিটরিংয়ের মতো একাধিক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে NTA।
তবে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থার মাঝেও নাগপুরের এই ঘটনা পরীক্ষাপরিচালনায় NTA-র দক্ষতা ও নির্ভরযোগ্যতা নিয়ে ফের বড়সড় প্রশ্ন তুলে দিল।
FATF-এর সহ-সভাপতি পদে ভারত, বিশ্ব আর্থিক নিরাপত্তায় বড় স্বীকৃতি










