EPF-এর নিয়মে বিরাট বদল। এবার নিষ্ক্রিয় অবস্থায় পড়ে থাকা অ্যাকাউন্ট থেকেও তুলতে পারবেন টাকা। এমনই নয়া কথা শোনালো, কেন্দ্রীয় শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রক। EPF-এর একটি বিশেষ পাইলট প্রকল্প চালু করা হলো। ইতিমধ্যেই ১.১৮ লক্ষ নিষ্ক্রিয় EPF অ্যাকাউন্ট সফলভাবে যাচাই করা হয়েছে। এই প্রকল্পের দ্বারা কর্মচারীরা আবেদন না করলেও PF-এর বকেয়া টাকা এবং প্রাপ্য সুদ সরাসরি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পৌঁছে যেতে পারে (EPFO)।
EPFO: কীভাবে পাবেন টাকা?
নিষ্ক্রিয় EPF অ্যাকাউন্টে ১,০০০ টাকা বা তার কম ব্যালেন্স থাকলে EPFO-র কোনও আবেদন ছাড়াই সরাসরি আধার-লিঙ্ক করা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা ফেরত দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। প্রথম পর্যায়ে প্রায় ৭.১১ লক্ষ দাবিহীন অ্যাকাউন্ট চিহ্নিত করা হয়েছে। এই ‘অটো-রিফান্ড’ প্রক্রিয়ায় ‘Penny Drop’ ভেরিফিকেশনের মাধ্যমে ১.১৮ লক্ষ অ্যাকাউন্ট ইতিমধ্যে যাচাই করা হয়েছে। ২০২৬ সালের মধ্যে এই গোটা প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করার পরিকল্পনা রয়েছে (EPFO)।
কবে থেকে কার্যকর হবে?
এই নতুন ব্যবস্থা কার্যকর করতে আগস্ট মাসের মধ্যে নতুন সফটওয়্যার ও সিস্টেম চালু করা হবে। এর জন্য সেন্টার ফর ডেভেলপমেন্ট অফ অ্যাডভান্সড কম্পিউটিং-কে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। আগে চালু হওয়া ইউনিভার্সাল অ্যাকাউন্ট নম্বর ব্যবস্থার উপর ভিত্তি করেই নতুন স্বয়ংক্রিয় ক্লেম সিস্টেম তৈরি করা হচ্ছে, যাতে দ্রুত এবং নির্ভুলভাবে অর্থ ফেরত দেওয়া সম্ভব হয়।
সেন্ট্রাল বোর্ড ইঙ্গিত দিয়েছে, এই প্রদ্ধতি প্রথম পর্যায়ে সফল হলে অধিক ব্যালেন্স বা জমা অর্থ নিষ্ক্রিয় অ্যাকাউন্টগুলিতে চলে যাবে। তবে ওইসব অ্যাকাউন্টের জন্য এখনও কোনো অর্থ ফেরত বা রিফান্ড ব্যবস্থা আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করা হয়নি।
আপাতত এই কর্মসূচিটি একটি সীমিত পরিসরের। এটি মূলত স্বল্প পরিমাণ অর্থ জমা থাকা, পরিচয়পত্র যাচাইকৃত এবং সুনির্দিষ্ট কিছু নিষ্ক্রিয় অ্যাকাউন্টের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। অধিক অর্থের ক্ষেত্রে এই একই প্রদ্ধতি প্রয়োগ করতে হলে আরও কঠোর সুরক্ষাব্যবস্থা প্রয়োজন হবে। কারণ জমা অর্থের পরিমাণ বেশি হলে সেই অর্থ ভুল জায়গায় স্থানান্তর হলে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হবে।











Some really fantastic information, Sword lily I detected this.