টাটা গোষ্ঠীর শীর্ষপদে ফের তৈরি হলো টানাপোড়েন। পদ ছাড়ার সিদ্ধান্ত জানিয়েছিলেন (N Chandrasekaran) এন চন্দ্রশেখরন। কিন্তু বৃহস্পতিবার Tata Sons-এর বোর্ডের বৈঠকে বড় মোড়—বোর্ডের অনুরোধে নিজের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করতে রাজি হলেন তিনি। এরপর সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে তাঁকে আরও পাঁচ বছরের জন্য কার্যনির্বাহী চেয়ারম্যান পদে পুনর্নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে এই সিদ্ধান্তে আপত্তি জানিয়েছে টাটা ট্রাস্টের চেয়ারম্যান নোয়েল টাটা।
Table of Contents
কী সিদ্ধান্ত নিল বোর্ড?
Tata Sons জানিয়েছে, ১৭ সেপ্টেম্বরের বৈঠকে (N Chandrasekaran) চন্দ্রশেখরন বোর্ডের অনুরোধে তাঁর সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করেন। এরপর সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে বর্তমান মেয়াদ শেষ হওয়ার পর আরও পাঁচ বছরের জন্য তাঁকে কার্যনির্বাহী চেয়ারম্যান পদে রাখার সিদ্ধান্ত হয়। তাঁর বর্তমান মেয়াদ শেষ হবে ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৭।
কীভাবে তৈরি হল জটিলতা?
২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে বোর্ড নীতিগতভাবে তাঁকে আরও পাঁচ বছর রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। আইনি প্রক্রিয়া মেনে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে আনুষ্ঠানিক অনুমোদনের উদ্যোগ নেওয়া হয়। কিন্তু ঐকমত্য না হওয়ায় সেই প্রস্তাব স্থগিত থাকে। মে ও জুনের বৈঠকেও বিষয়টির সমাধান হয়নি। এরপর ১২ অগস্ট (N Chandrasekaran) চন্দ্রশেখরন পুনর্নিয়োগের জন্য নিজেকে প্রার্থী না করার সিদ্ধান্ত জানান।
নোয়েল টাটার আপত্তি কোথায়?
৩ সেপ্টেম্বর নমিনেশন রেমুনারেশন কমিটি বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করে এবং চন্দ্রশেখরনের অবদান ও টাটা গ্রুপের বৃহত্তর স্বার্থের কথা বিবেচনা করে তাঁকে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার অনুরোধ জানায়।
তবে টাটা ট্রাস্টের চেয়ারম্যান নোয়েল টাটা প্রস্তাবের বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছেন। টাটা ট্রাস্টের হাতে টাটা গ্রুপের ৬৬ শতাংশ অংশীদারিত্ব রয়েছে। ট্রাস্টের দাবি, তাদের নমিনি ডিরেক্টরের বিরোধিতার কারণে বোর্ডের সিদ্ধান্ত আইনগতভাবে বাতিল। তাদের মতে, (N Chandrasekaran) চন্দ্রশেখরনের ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৭-এর পর না থাকার সিদ্ধান্ত ইতিমধ্যেই গৃহীত এবং চূড়ান্ত।
Tata Sons অবশ্য RBI-এর প্রযোজ্য নির্দেশিকা মেনে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া এবং RBI, টাটা ট্রাস্টস ও অন্যান্য স্টেকহোল্ডারদের কাছ থেকে নির্দেশনা নেওয়ার কথা জানিয়েছে।
মোদির জন্মদিনে বিক্রমের বিশেষ চমক, আজ ক্রেতাদের ঠোঙায় বাড়তি ঝালমুড়ি












1 thought on “চন্দ্রশেখরনই থাকছেন Tata Sons-এর চেয়ারম্যান, ৫ বছরের মেয়াদে সিলমোহর বোর্ডের”