যতদিন যাচ্ছে অসমের বন্যা পরিস্থিতি তত আরও খারাপের দিকে যাচ্ছে। অসমে বিস্তৃর্ণ এলাকা এখনও বন্যার প্রভাবে বিপর্যস্ত। এখনও বিভিন্ন জেলা থেকে মৃত্যুর খবর আসছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে মৃত্যু আরও দুজনের, যার ফলে মোট মৃতের সংখ্যা পৌঁছে গেল ১০০-তে (Assam Floods)।
Assam Floods: ক্ষয়-ক্ষতির পরিমাণ কত?
রবিবারের প্রকাশিত অসমের ‘ডিজাস্টার রিপোর্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম’ (DRIMS)-এর বুলেটিন অনুযায়ী, ভয়াবহ বন্যা একাধিক জায়গায় ব্যাপক প্রভাব ফেলেছে। এতেই প্রাণ গিয়েছে ৬০ জন পুরুষ ও ২৩ জন মহিলা এবং ১৮ জন শিশুর (Assam Floods)।
কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট করেছে যে, তথ্য সংশোধনের পর শিবসাগর জেলায় মৃতের সংখ্যায় পরিবর্তন আনা হয়েছে। একই নামে একজনের মৃত্যুর ঘটনা ভুলবশত দুবার নথিভুক্ত করা হয়েছিল। যার ফলে জেলার মোট মৃতের সংখ্যা ৫০ থেকে কমিয়ে ৪৯ করা হয়েছে।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, “আপনাদের অবগতির জন্য জানানো হচ্ছে, শিবসাগরে ভুলবশত একই ব্যক্তির মৃত্যুর তথ্য দুবার নথিভুক্ত করা হয়েছিল। তাই এখনও পর্যন্ত শিবসাগরে মোট মৃত্যুর সংখ্যা ৫০-এর পরিবর্তে ৪৯ হবে।”
বন্যায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কাছাড় জেলা। এখানে ২২ জনের মৃত্যু হয়েছে। শিবসাগরে ৪৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। করিমগঞ্জ (নয়জন মৃত্যু), গোলাঘাট (আটজন মৃত্যু) সহ ধেমাজি, নগাঁও, উদালগুড়ি, সোনিতপুর এবং কার্বি আংলং এই জেলাগুলিতেও হতাহতের খবর পাওয়া গিয়েছে।
অসমের বেশ কিছু এলাকায় বন্যা পরিস্থিতি এখনও ভয়াবহ। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলিতে এখনও চলছে উদ্ধারকাজ ও ত্রাণ পরিষেবা এখনও প্রদান করা হচ্ছে।
অসমে ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতির মধ্যেই ত্রাণ, পুনর্বাসন ও চিকিৎসা সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার মানুষের কাছে যাতে জরুরি পরিষেবা ও সহায়তা পৌঁছায়, তা নিশ্চিত করতে তৎপর প্রশাসন।
রবিবার ছত্তিশগড়ের মুখ্যমন্ত্রী বিষ্ণু দেও সাই অসমের এই দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সহায়তার জন্য ৫ কোটি টাকা আর্থিক অনুদানের কথা ঘোষণা করেছেন। তিনি অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মার সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন এবং রাজ্যের বন্যা পরিস্থিতির খোঁজখবর নিয়েছেন।









