রাজ্য খেলার দুনিয়া দেশ মুশকিল আসান বিদেশ বিনোদন ব্যবসা ও বাণিজ্য লাইফস্টাইল ও স্বাস্থ্য টেক

---Advertisement---

সোনারপুরে ‘হর ঘর তেরঙ্গা’ যাত্রা, উপস্থিত বিধায়ক রূপা গঙ্গোপাধ্যায়

Har Ghar Tiranga
---Advertisement---

এই প্রথমবার ‘হর ঘর তেরঙ্গা’ কর্মসূচিতে শামিল হয়েছে বাংলা। কয়েকদিন আগেই রাজ্যে এই কর্মসূচির কথা ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এবার মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণা মেনেই দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সোনারপুরে পালিত হলো ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ কর্মসূচি। বুধবার হরিনাভি থেকে এই কর্মসূচির সূচনা হয়। উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলাশাসক-সহ জেলা প্রশাসনের একাধিক উচ্চপদস্থ আধিকারিক এবং সোনারপুর দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক রূপা গঙ্গোপাধ্যায় (Har Ghar Tiranga)।

বুধবার হরিনাভি থেকে কোদালিয়ায় নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর পৈতৃক ভিটে পর্যন্ত জাতীয় পতাকা হাতে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়। শোভাযাত্রায় প্রশাসনের আধিকারিকদের পাশাপাশি সোনারপুরের একাধিক স্কুল ও কলেজের ছাত্রছাত্রীরা অংশ নেয়। প্রত্যেকের হাতেই ছিল জাতীয় পতাকা। দেশাত্মবোধক স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে গোটা এলাকা (Har Ghar Tiranga)।

Har Ghar Tiranga: জাতীয় পতাকা হাতে মিছিলে সামিল খুদেরা

ছাত্রছাত্রীদের মুখে ‘বন্দেমাতরম’ ও ‘ভারত মাতা কি জয়’ স্লোগান শুনে উচ্ছ্বসিত সোনারপুর দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক রূপা গঙ্গোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “আজকে শিশুদের উৎসাহ দেখলে বোঝা যায়, কীভাবে ছোট ছোট ছেলে মেয়েরা যারা ‘ভারত মাতা কি জয়’ ‘বন্দেমাতরম’ বলতে বলতে ক্লান্ত হচ্ছে না। এই দিনটার অপেক্ষায় আমরা ছিলাম”।

নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর এই পৈতৃক ভিটে সর্বসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হবে। এই সম্পর্কে তিনি বলেন, “ভোটের আগে আমি নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর এই পৈতৃক ভিটে পা দিয়েছিলাম। তখন ঘুরে দেখে গিয়েছিলাম। এবার আমরা সাধারণ মানুষের দেখার জন্য ব্যবস্থা করে দিতে পারবো। সেটাই আমাদের এখন স্বপ্ন।”

তৃণমূলের আমলে বাংলায় এই কর্মসূচি হতো না। পালাবদলের পর রাজ্যেও বিজেপি সরকার আসায় প্রথমবার কেন্দ্রের ওই কর্মসূচির সঙ্গে রাজ্যকে যুক্ত করেছে শুভেন্দু অধিকারীর সরকার। ৯ থেকে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত হবে এই কর্মসূচি।


Rima Dutta Ghosh

প্রায় ৮ বছর ধরে সাংবাদিকতার জগতে। শুরুটা মোটেও মসৃণ ছিল না। যাদবপুর ইউনির্ভারসিটি থেকে মাস কম-এ পড়াশোনা করতে করতেই জেলা সাংবাদিকতায় ঢোকা। তারপর থেকেই শুরু চড়াই-উতরাই। সেখান থেকে এবটি ওয়েট পোর্টালে কপি রাইটার হিসাবে কাজ শুরু। তারপর টেলিভিশন জগতে। সেখানে প্রায় ৪ বছর কাজ করা। কপি রাইটার থেকে বুলেটিন প্রডিউসার। কথাটা সহজ হলেও পথ চলাটা ছিল কঠিন।

Join WhatsApp

Join Now

Join Telegram

Join Now

1 thought on “সোনারপুরে ‘হর ঘর তেরঙ্গা’ যাত্রা, উপস্থিত বিধায়ক রূপা গঙ্গোপাধ্যায়”

Leave a Comment