ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়ে যুবক। মোবাইলের পর্দায় বারবার নির্দেশ—চোখ আরও বড় করে খুলুন। কিন্তু যতই চেষ্টা, কিছুতেই মুখের সঙ্গে মেশিনের হিসাব পাওয়া যাচ্ছে না। শেষ পর্যন্ত বন্ধুরাই এগিয়ে এলেন। কেউ চোখের পাতা টেনে ধরলেন, কেউ গাল টেনে দিলেন। আর সেই দৃশ্যেই হাসি ছড়িয়ে উঠল। (eKYC Viral Video)
সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিয়োতে এমনই মজার পরিস্থিতির দোখতে পওয়া যাচ্ছে। ভিডিয়োতে এক নাগা যুবককে মোবাইলের মাধ্যমে eKYC করতে দেখা যায়।
চোখ চিনতে পারল না ফেসিয়াল রিকগনিশন
মোবাইলের ক্যামেরা তাঁর চোখ ঠিকমতো শনাক্ত করতে পারছিল না। বারবার স্ক্যান ব্যর্থ হচ্ছিল। অ্যাপের নির্দেশ ছিল, চোখ আরও বড় করে খুলতে হবে। কিন্তু স্বাভাবিক চোখের গড়নের কারণে সেটিও সহজ হচ্ছিল না। (eKYC Viral Video)
এরপরই শুরু হয় বন্ধুদের ‘সহায়তা’। তাঁরা হাত দিয়ে চোখের পাতা টেনে ধরেন। কেউ আবার গাল টেনে ধরে অন্য কোণ থেকে ক্যামেরার সামনে মুখ ঘোরান। একাধিক বার চেষ্টা চলে। গোটা ঘটনাই পরিণত হয় হাসির মুহূর্তে।
কেন হচ্ছে এমন সমস্যা?
ঘটনাটি শুধু মজার নয়। এর মধ্যে রয়েছে প্রযুক্তিগত একটি সমস্যার ইঙ্গিতও। মানুষের মুখের গড়ন এবং চোখের বৈশিষ্ট্য এক রকম নয়। অথচ ফেসিয়াল রিকগনিশন প্রযুক্তি নির্দিষ্ট ধরনের বৈশিষ্ট্যের উপর বেশি নির্ভর করলে ভিন্ন বৈশিষ্ট্যের মুখ শনাক্ত করতে সমস্যা হতে পারে।
বিশেষ করে চোখের পাতা বা আইরিস ক্যামেরায় স্পষ্ট ভাবে ধরা না পড়লে বায়োমেট্রিক যাচাই আটকে যেতে পারে।
বিকল্প ব্যবস্থাও রয়েছে
চোখের স্ক্যান ব্যর্থ হলে পরিষেবার নিয়ম অনুযায়ী অন্য পদ্ধতি ব্যবহার করা যেতে পারে। আঙুলের ছাপ অথবা OTP-ভিত্তিক যাচাই তার মধ্যে অন্যতম। অর্থাৎ চোখের স্ক্যান না মিললেই eKYC সম্পূর্ণ করা অসম্ভব নয়। (eKYC Viral Video)
তবে ভাইরাল ভিডিয়োর এই মজার ঘটনা একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নও তুলে দিয়েছে। প্রযুক্তি যখন মানুষের পরিচয় যাচাই করবে, তখন মানুষের স্বাভাবিক বৈচিত্র্যকে কতটা ঠিক ভাবে চিনতে পারছে, সেটিও সমান গুরুত্বপূর্ণ। (eKYC Viral Video)
আরও পড়ুন :- বাড়িতে Wi-Fi? মোবাইল রিচার্জের আগে দেখে নিন Jio-র এই সস্তার প্ল্যানগুলো











1 thought on “হচ্ছে না eKYC, চোখ ধরে টানাটানি বন্ধুদের, ভাইরাল ভিডিয়োতে হাসির রোল”