স্বাধীনতার ৮০তম বর্ষ উদযাপন উপলক্ষ্যে এবার পরিবেশ রক্ষায় বড়সড় উদ্যোগ নিল রাজ্য সরকার। মঙ্গলবার কলকাতার মোহরকুঞ্জ থেকে রাজ্য জুড়ে গণবৃক্ষরোপণ কর্মসূচির সূচনা করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। রাজ্যের ৪০,২১৮টি গ্রাম ও পুরসভা এলাকায় একযোগে চলছে এই কর্মসূচি। লক্ষ্য, একদিনে ৫০ লক্ষ চারা রোপণ করে বাংলাকে আরও সবুজ করে তোলা।
‘একটি গাছ মায়ের নামে’
এবারের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অন্যতম আকর্ষণ ‘একটি গাছ মায়ের নামে’ উদ্যোগ। মায়ের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে সাধারণ মানুষকে একটি করে গাছ লাগানোর আহ্বান জানানো হয়েছে। সরকারের মতে, এর মাধ্যমে মানুষের সঙ্গে প্রকৃতির আবেগের সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে। পাশাপাশি পরিবেশ রক্ষার সামাজিক দায়বদ্ধতাও বাড়বে। (Tree Plantation Program)
পরিবেশের পাশাপাশি নজরে গ্রামীণ অর্থনীতি
এই কর্মসূচিতে রাজ্য সরকারের বিভিন্ন দফতরের পাশাপাশি পঞ্চায়েত, পুরসভা, স্বনির্ভর গোষ্ঠী, স্কুল-কলেজ, যুব সংগঠন এবং সাধারণ মানুষ অংশ নিচ্ছেন। অর্থাৎ শহর থেকে গ্রাম—রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তেই একসঙ্গে চলছে বৃক্ষরোপণ। তবে শুধু গাছ লাগানো নয়, এই কর্মসূচির সঙ্গে গ্রামীণ কর্মসংস্থান এবং জীবিকা উন্নয়নমূলক প্রকল্পগুলিকেও যুক্ত করা হয়েছে। সরকার মনে করছে, এর ফলে পরিবেশ রক্ষার পাশাপাশি গ্রামীণ অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
চারা লাগানোর পরেও চলবে পরিচর্যা
সরকারের নির্দেশ, চারা রোপণের পর সেগুলিকে অবহেলায় ফেলে রাখা হবে না। প্রতিটি চারার নিয়মিত পরিচর্যা, জলসেচ এবং রক্ষণাবেক্ষণের উপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। দীর্ঘমেয়াদে একটি সবুজায়ন পরিকাঠামো গড়ে তোলাই এই উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য। এই কর্মসূচির জন্য বন দফতরের তরফে বিভিন্ন ধরনের চারা সরবরাহ করা হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে ফলজ, ঔষধি এবং ছায়াদায়ী বিভিন্ন প্রজাতির গাছ। এলাকার পরিবেশ ও প্রয়োজন অনুযায়ী এই চারাগুলি রোপণ করা হচ্ছে।
১৫ বছরেও মেলেনি পাকা রাস্তা-পানীয় জল, ন্যূনতম পরিষেবার দাবিতে সরব বাজনাগুড়ি
বিশেষজ্ঞদের মতে, জলবায়ু পরিবর্তন, তাপমাত্রা বৃদ্ধি এবং বায়ুদূষণের মতো সমস্যার মোকাবিলায় বৃক্ষরোপণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গাছ বাতাস থেকে কার্বন ডাই-অক্সাইড শোষণ করে পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। একইসঙ্গে জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণেও গাছের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। (Tree Plantation Program)
ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য ‘সবুজ’ অঙ্গীকার
ভারতের স্বাধীনতার ৮০তম বর্ষে এই উদ্যোগকে শুধুমাত্র সরকারি কর্মসূচি হিসেবে দেখছে না প্রশাসন। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সবুজ ও সুস্থ পরিবেশ গড়ে তোলার সামাজিক অঙ্গীকার হিসেবেও এই কর্মসূচিকে তুলে ধরা হচ্ছে। ‘আসুন, একসঙ্গে গড়ি সবুজ ভবিষ্যৎ’-এই বার্তাকে সামনে রেখেই মঙ্গলবার বাংলার বিভিন্ন প্রান্তে শুরু হয়েছে এই বৃহৎ গণবৃক্ষরোপণ অভিযান। তবে একদিনে ৫০ লক্ষ চারা রোপণের এই উদ্যোগ কতটা সফল হবে, তা অনেকটাই নির্ভর করবে পরবর্তী সময়ে লাগানো গাছগুলির নিয়মিত পরিচর্যা ও সংরক্ষণের উপর।









[180]ase365 অফিসিয়াল লগইন | অনলাইন ক্যাসিনো বোনাস ও দ্রুত পেমেন্ট,ase365 অ্যাপ ডাউনলোড করে উপভোগ করুন সেরা স্লট গেম খেলার নিয়ম এবং দ্রুত পেমেন্ট গেটওয়ের সুবিধা। আজই যোগ দিয়ে আপনার বোনাস লুফে নিন। visit: ase365