সরকারের বিভিন্ন প্রকল্প ও কর্মসূচির প্রচারে এবার সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার এবং কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের কাজে লাগানোর সিদ্ধান্ত নিল বিহার সরকার। সরকারি প্রকল্প নিয়ে ভিডিয়ো তৈরি করে তা সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ করলেই ভিউয়ের ভিত্তিতে টাকা পাবেন ক্রিয়েটররা। টাকার অঙ্কটাও খুব একটা কম নয়। একটি ভিডিয়ো থেকে সর্বোচ্চ ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয় করা যাবে।
বুধবার মুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধুরীর নেতৃত্বে আয়োজিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই নতুন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। বিহার সোশ্যাল মিডিয়া অ্যান্ড আদার অনলাইন মিডিয়া রুলস, ২০২৬-এ সংশোধন করে এই নতুন ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে।
এক লাখ ভিউতে কত টাকা জানেন?
নতুন নিয়ম অনুযায়ী, কোনও ভিডিয়ো প্রকাশের পর ৩০ দিনের মধ্যে যদি ১ লক্ষ ভিউ পায়, তাহলে সেই ভিডিয়োর নির্মাতাকে দেওয়া হবে ১০ হাজার টাকা। অর্থাৎ ভিডিয়ো যত বেশি মানুষের কাছে পৌঁছবে, ততই বাড়বে পারিশ্রমিক। তবে একটি ভিডিয়োর জন্য সর্বোচ্চ ১ লক্ষ টাকা পর্যন্তই দেওয়া হবে। অর্থাৎ নির্দিষ্ট সীমার বেশি ভিউ হলেও সরকারি তরফে এক ভিডিয়োর জন্য ১ লক্ষ টাকার বেশি পাওয়া যাবে না। (Opportunity for Content Creators)
এই সংক্রান্ত বিস্তারিত নিয়ম ও বিজ্ঞপ্তি খুব শীঘ্রই প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছে বিহারের তথ্য ও জনসংযোগ দফতর।
কেন এই সিদ্ধান্ত সরকারের?
বিহার সরকারের লক্ষ্য, সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে সরকারি প্রকল্প ও পরিষেবার তথ্য আরও বেশি মানুষের কাছে দ্রুত পৌঁছে দেওয়া। যেহেতু তরুণ প্রজন্ম এখন মোবাইল বা সোশ্যাল মিডিয়ায় নিয়মিত অ্যাকটিভ। তাই বিভিন্ন ধরনের ভিডিয়ো দিয়ে তথ্য প্রচারে সোশ্যাল মিডিয়াকেও আরও বেশি গুরুত্ব দিতে চাইছে সরকার।
এতদিন পর্যন্ত টেলিভিশন, সংবাদপত্র, রেডিও এবং সরকারি ওয়েবসাইটের মাধ্যমে বিভিন্ন প্রকল্পের প্রচার করা হতো। এতে তথ্য বেশিরভাগ মানুষ আমাদের ছড়িয়ে পড়তে অনেকটা সময় লাগে। কিন্তু সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিয়ো খুব অল্প সময়ের মধ্যেই কয়েক লক্ষ মানুষের কাছে পৌঁছে যেতে পারে। সেই কারণেই ইনফ্লুয়েন্সারদের মাধ্যমে বিভিন্ন সরকারি প্রকল্প ও ঘোষণা প্রচারের পরিকল্পনা করা হয়েছে।
কেনিয়ায় হেলিকপ্টার ভেঙে ৭ মৃত, নিহত ৫ আমেরিকান-সহ ইকুয়েডরের গোয়েন্দাপ্রধান
বিহার সরকার মনে করছে, সরকারি দফতরের বিজ্ঞপ্তি বা প্রচারে অনেক সময় যে ধরনের জটিল ও কারিগরি ভাষা ব্যবহার করা হয়, তা সাধারণ মানুষের কাছে সহজে বোধগম্য হয় না। সোশ্যাল মিডিয়া ক্রিয়েটররা সেই তথ্য নিজেদের মতো করে সহজ ভাষায় তুলে ধরতে পারবেন। ফলে সাধারণ মানুষও সরকারি প্রকল্প সম্পর্কে দ্রুত বুঝতে পারবেন।
রাজনীতিতে সোশ্যাল মিডিয়ার গুরুত্বও বাড়ছে
সম্প্রতি বিহারের প্রথম বিজেপি মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন সম্রাট চৌধুরী। তাঁর সরকারের এই উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য হলো আরও বেশি সংখ্যক মানুষের কাছে সরকারি প্রকল্পের বার্তা পৌঁছে দেওয়া।বর্তমান সময়ে রাজনীতিতেও সোশ্যাল মিডিয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগের মাধ্যম হয়ে উঠেছে। এখন দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা নিজেদের কোটি কোটি অনুসারীর সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে নিয়মিত সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করেন। সেই একই পরিসরকে এবার সরকারি প্রকল্পের প্রচারেও কাজে লাগাতে চাইছে বিহার সরকার। (Opportunity for Content Creators)
ফলে সরকারি প্রকল্প নিয়ে ভিডিয়ো বানানো সোশ্যাল মিডিয়া ক্রিয়েটরদের জন্য যেমন নতুন উপার্জনের সুযোগ তৈরি হতে পারে, তেমনই এর মাধ্যমে সরকারি পরিষেবা ও প্রকল্পের তথ্যও আরও সহজে মানুষের কাছে পৌঁছবে।













Just what I was looking for — much appreciated. Been on the market myself lately, and https://xpmn.m-play-jisuesports.com/ is the resource I stuck with. Thousands of roles, filterable by city, company and salary — no spam. Anyway, great post as always!
It is perfect time to make some plans for the future and it is time to be happy. I have read this post and if I could I desire to suggest you few interesting things or advice. Maybe you could write next articles referring to this article. I wish to read even more things about it!