রাজ্যে বিজেপি ক্ষমতা দখলের পর থেকে শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বাধীন সরকার পুলিশ সুপার ও কমিশনারদের কড়া নির্দেশ দিয়েছে। যাতে রাজ্যে কোনও বেআইনি পশুর হাট চলতে না পারে এবং সীমান্ত এলাকায় কড়া নজরদারি চালানো হয়। সেই মতো তৎপর পুলিশ প্রশাসনও। বৃহস্পতিবার ডানকুনিতে গরু বোঝাই গাড়ি রুখলেন বিজেপি নেতারা। খবর দিলেন পুলিশকে। গাড়ি থেকে উদ্ধার হলো ১১টি গরু ও ৭টি বাছুর। আটক গাড়ির চালক (Cow Smuggling)।
Cow Smuggling: হাতেনাতে পাকড়াও গরুপাচারকারী
স্থানীয় বিজেপি নেতাদের অভিযোগ, ডানকুনির ১২ নম্বর ওয়ার্ডের বন্দেরবিল এলাকায় কলকাতা-পাটনা রোড লাইনস নামে একটি পার্কিংয়ে রাতের ভিন্ন রাজ্য থেকে একটি গরু বোঝাই গাড়ি আসে। সেই গাড়ি থেকে গরুগুলিকে ছোট ছোট গাড়িতে করে বিভিন্ন জেলায় পাচার করা হচ্ছিল। বুধবার রাতে বেশকয়েকটি লরি দেখে সন্দেহ হয় বিজেপি নেতা সুকান্ত মাঝির। তারপর তিনি খবর দেন থানায়। পুলিশ পার্কিং লটে আসতেই লরি রেখে চম্পট দেয় অনেকে। ওই লরির চালককে আটক করে পুলিশ। লরি তল্লাশি করে উদ্ধার হয় ১১টি পূর্ণ বয়স্ক গরু ও ৭টি বাছুর। লরি চালককে আটক করে থানায় নিয়ে যায় ডানকুনি থানার পুলিশ (Cow Smuggling)।
এক বিজেপি নেতার বক্তব্য, “এর আগেও আমার কাছে খবর ছিল। এখানে বেআইনি এই রকম কাজকর্ম চলে। পুলিশ এসে এখানে টহল দিয়ে যায়। কিন্তু তাদের হদিস পায়নি। কাল বিজেপি নেতা সুকান্ত মাঝি দেখতে পান সঙ্গে সঙ্গে তিনি আমায় ফোন করেন। এরপর আমি থানায় খবর দিই। এখানে আসতেই দেখি এখানে এক গাড়ি বোঝাই করা গরুগুলিকে একসঙ্গে নিয়ে এসে ছোটো ছোটো গাড়ি করে অন্যান্য জায়গায় পাঠিয়ে দিচ্ছিল। আমরা জিজ্ঞাসাবাদ করতেই তারা জানায় কোনও বেআইনি কাজ করছে না। তারপরেই ঘটানাস্থলে পুলিশ আসতেই গরুপাচারকারী দল পালিয়ে যায়। একটাই প্রশ্ন বৈধভাবে এই কারবার করলে পাচারকারীর দল পুলিশ দেখে পালিয়ে যেত না। এতেই আমাদের সন্দেহ জাগে।”
ওই পার্কিং লট নিয়েও প্রশ্ন তোলেন বিজেপি নেতা। তিনি বলেন, “এই পার্কিংটা কার? সিকিউরিটি গার্ডও সব জানত এখানে গরুপাচার হয়। এখানে এই পাচারের সঙ্গে প্রতিটা মানুষ জড়িত। আমরা ৭টা বাছুর উদ্ধার করতে পেরেছি। ডানকুনি এলাকায় এই ধরনের খবর এলে নিশ্চয় আমরা পুলিশকে জানাবো।”








