রাজ্য খেলার দুনিয়া দেশ মুশকিল আসান বিদেশ বিনোদন ব্যবসা ও বাণিজ্য লাইফস্টাইল ও স্বাস্থ্য টেক

---Advertisement---

টাইব্রেকারে মোহনবাগানের জয়, ডুরান্ড ফাইনালে কলকাতা ডার্বি

mohun bagan
---Advertisement---

শিলংয়ের জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামে নাটকীয় পেনাল্টি শুটআউটে নর্থইস্ট ইউনাইটেডকে ৪-৩ গোলে হারিয়ে ডুরান্ড কাপ ২০২৬-এর ফাইনালে জায়গা করে নিল মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট। নির্ধারিত ৯০ মিনিটে কোনও দলই গোল করতে না পারায় ম্যাচ সরাসরি পেনাল্টি শুটআউটে গড়ায়। সেখানে জয়লাভ করে ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করে সবুজ-মেরুন ব্রিগেড। এর ফলে ডুরান্ড কাপের শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে ফের মুখোমুখি হতে চলেছে কলকাতার দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী—মোহনবাগান ও ইস্টবেঙ্গল (mohun bagan)।

mohun bagan: ৯০ মিনিটে ভাঙল না অচলাবস্থা

গোলশূন্য ৯০ মিনিটের পর ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারিত হয় পেনাল্টি শুটআউটে। সেখানে দুই দলের লড়াই ছিল হাড্ডাহাড্ডি। শেষ পর্যন্ত ৪-৩ ব্যবধানে বাজিমাত করে মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট এবং ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করে নেয়। অন্যদিকে, নর্থইস্টও সবুজ-মেরুন রক্ষণ ভাঙতে ব্যর্থ হয়।

সেমিফাইনালের বড় নায়ক হয়ে ওঠেন মোহনবাগান গোলকিপার বিশাল কাইথ। টাইব্রেকারে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা মোহনবাগানকে জয় এনে দেয়। নির্ধারিত সময়ে দলকে গোল না খেতে দিয়ে ম্যাচে টিকিয়ে রাখার পর পেনাল্টিতেও তাঁর নায়কোচিত পারফরম্যান্স সবুজ-মেরুনকে শিরোপার লড়াইয়ে পৌঁছে দেয়। ডুরান্ড কাপের মঞ্চে ফের মুখোমুখি হতে চলেছে বাংলার দুই ফুটবল পরাশক্তি। সমর্থকদের উত্তেজনা এখন থেকেই চরমে পৌঁছে গিয়েছে (Vmohun bagan)।

ডুরান্ড কাপের ইতিহাসে তাদের ঝুলিতে রয়েছে রেকর্ড ১৭টি শিরোপা। অন্যদিকে, ১৬টি ট্রফি নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে ইস্টবেঙ্গল। এবার ফাইনালে মুখোমুখি হয়ে দুই প্রধানের সামনে থাকবে ইতিহাস আরও সমৃদ্ধ করার সুযোগ।


Rima Dutta Ghosh

প্রায় ৮ বছর ধরে সাংবাদিকতার জগতে। শুরুটা মোটেও মসৃণ ছিল না। যাদবপুর ইউনির্ভারসিটি থেকে মাস কম-এ পড়াশোনা করতে করতেই জেলা সাংবাদিকতায় ঢোকা। তারপর থেকেই শুরু চড়াই-উতরাই। সেখান থেকে এবটি ওয়েট পোর্টালে কপি রাইটার হিসাবে কাজ শুরু। তারপর টেলিভিশন জগতে। সেখানে প্রায় ৪ বছর কাজ করা। কপি রাইটার থেকে বুলেটিন প্রডিউসার। কথাটা সহজ হলেও পথ চলাটা ছিল কঠিন।

Join WhatsApp

Join Now

Join Telegram

Join Now

2 thoughts on “টাইব্রেকারে মোহনবাগানের জয়, ডুরান্ড ফাইনালে কলকাতা ডার্বি”

Leave a Comment