দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুরের উত্তর ট্যাঙ্গারবেড়িয়ায় বিজেপি কর্মী বাপি প্রামাণিকের মৃত্যুকে ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। (Baruipur BJP Worker Death) পরিবারের অভিযোগ, ফোন করে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গিয়ে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়ে খুন করা হয়েছে তাঁকে। ঘটনায় বিজেপির স্থানীয় নেতা সুজন মণ্ডল-সহ কয়েকজনের নাম জড়িয়েছে। যদিও পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে, পুজো কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষেই গুরুতর জখম হন বাপি।
Baruipur BJP Worker Death: ফোন করে ডেকে নিয়ে হামলার অভিযোগ
পরিবারের দাবি, দীর্ঘদিন সক্রিয় বিজেপি কর্মী ছিলেন বাপি। রাজনৈতিক কারণে প্রায় ১৮ বছর তাঁকে ঘরছাড়া থাকতে হয়েছিল। রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর মাত্র তিন মাস আগে এলাকায় ফিরে দোকান শুরু করেছিলেন তিনি। পরিবারের দাবি, রবিবার রাতে ফোন করে তাঁকে বাড়ি থেকে ডেকে নেওয়া হয়। পরে ব্রিজের কাছে লাঠি, রড ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে বেধড়ক মারধর করা হয়। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথেই মৃত্যু হয় তাঁর।
বিজেপি নেতার বিরুদ্ধে পরিবারের অভিযোগ
(Baruipur BJP Worker Death) মৃতের স্ত্রী-র অভিযোগ, সমীর, শঙ্কর, টিঙ্কু, সুজন-সহ কয়েকজন হামলায় জড়িত। তাঁর দাবি, অভিযুক্তরা তৃণমূল করেন এবং তাঁরা বিজেপি করেন বলেই হামলা চালানো হয়েছে। ঘটনার সময় তিনি ঘটনাস্থলে ছিলেন এবং নিজের চোখে হামলা দেখেছেন বলেও দাবি করেন। তাঁর কথায়, “আমি ওদের শাস্তি চাই।”
আগুনে পুড়ে ছাই ২২ গাড়ি, কলকাতা বিমানবন্দর লাগোয়া যশোর রোডে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড
পুজো কমিটি ঘিরে সংঘর্ষ, দাবি পুলিশের
অন্যদিকে পুলিশের বক্তব্য, পুজো কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে বচসা থেকে সংঘর্ষ বাধে। সেই মারামারিতেই গুরুতর আহত হন বাপি। ঘটনায় আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন। (Baruipur BJP Worker Death) মৃতের পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা রুজু হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।
Baruipur BJP Worker Death: ‘সুজন মণ্ডলের সঙ্গে আলোচনা নিয়েই আপত্তি’
এক বিজেপি কর্মীর অভিযোগ, পুজোর আয়োজনের সময় ১০-১৫ জন বিজেপি কর্মী সেখানে ছিলেন। তাঁদের তৃণমূলের গুন্ডারা হুমকি দেওয়ায় তাঁরা চলে যান। পরে সুজন নাইয়া, সুনীল নাইয়া, অধীর নাইয়া ও টোকন নাইয়া রড নিয়ে তাঁদের তাড়া করেন বলে দাবি। এরপর বাপি ঘটনাস্থলে এলে তাঁকে মারধর করা হয়। ওই বিজেপি কর্মীর আরও অভিযোগ, স্থানীয় বিজেপি নেতা সুজন মণ্ডল তৃণমূলের লোকেদের সঙ্গে আলোচনা করায় তাঁরা প্রতিবাদ করেছিলেন। সেই কারণেই হামলা হয়েছে এবং ঘটনাস্থলে না থাকলেও সুজন মণ্ডল ঘটনায় জড়িত বলে দাবি তাঁর।
পুলিশের তদন্তে প্রকৃত কারণ ও অভিযুক্তদের ভূমিকা স্পষ্ট হবে। আপাতত বাপি প্রামাণিকের মৃত্যু ঘিরে এলাকায় উত্তেজনা রয়েছে।
এরিয়াল বোমা থেকে ভারী কামান, প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে নতুন দায়িত্ব ইছাপুরের









1 thought on “রাজনৈতিক হামলা? বারুইপুরে বিজেপি কর্মীর মৃত্যুতে চাঞ্চল্য”