বারুইপুরে বিজেপি কর্মী খুনে উঠে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য। বিজেপি কর্মী বাপি প্রামাণিক খুনে গ্রেফতার দলেরই মণ্ডল সভাপতি সুজন মণ্ডল। যদিও দলবিরোধী কাজের অভিযোগে আগেই তাকে সাসপেন্ড করেছিল দল। নিহত বিজেপি কর্মীর পরিবারের অভিযোগ, বাপি প্রামাণিক খুনের মূল চক্রী সুজন মণ্ডল। তার বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগও দায়ের করেছে নিহতের পরিবার (Baruipur murder case)।
Baruipur murder case: হত্যাকাণ্ডের মূলচক্রী কে?
পুলিশ সূত্রে খবর, রবিবার বারুইপুর থানা এলাকার হাড়দহ পঞ্চায়েতের উত্তর ট্যাঙ্গেরবেড়িয়ায় একটি পুজো কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে বিবাদ বাধে। সেই সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন নিহত বাপি প্রামাণিকের স্ত্রী। পরিবারের দাবি, তাঁর সামনেই ধারালো অস্ত্র দিয়ে বাপিকে কোপানো হয়। তাতেই মৃত্যু হয় বাপির (Baruipur murder case)।
গুরুতর জখম অবস্থায় বাপি প্রামাণিককে বারুইপুর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে তাঁকে মৃত ঘোষণা করা হয়। ঘটনার তদন্তে নামে বারুইপুর থানার পুলিশ। পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে সোমবার রাতে সুজন ও বাকি তিনজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করেন বারুইপুর জেলা পুলিশের আধিকারিকরা। তাদের বয়ানে অসংগতি ধরা পড়ায় চারজনকেই গ্রেফতার করা হয়। পুলিশের দাবি, হত্যাকাণ্ডের মূল চক্রী দল থেকে সাসপেন্ডেড হওয়া এই সুজনই (Baruipur murder case)।
ধৃতদের মধ্যে রয়েছেন সাসপেন্ড হওয়া বিজেপির মণ্ডল সভাপতি সুজন মণ্ডল, কৃষ্ণা মণ্ডল, কনক মণ্ডল এবং অনিল নাইয়া। ধৃতরা সকলেই উত্তর ট্যাঙ্গারবেড়িয়ার বাসিন্দা। এখন প্রশ্ন একটাই। এর নেপথ্যে সঠিক কারণ কী এবং এই খুনে কার কী ভূমিকা রয়েছে, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।












I’ve tried many sites but this one has the best vibes. The games are fair and the payouts are quick. Loving my time at kr21casino so far!