ক্লাসের মধ্যে বিশৃঙ্খলা তৈরি করেছিলেন ছাত্র। চুপ করতে বললেও কথা শোনেনি। তখনই বকাবকি করেছিলেন শিক্ষক। কিন্তু সেইটাই নাকি চরম ‘অপরাধ’ করে ফেলেছিলেন ওই শিক্ষক। হঠাৎই স্কুলের ভিতর ঢুকে ওই শিক্ষককে বেধড়ক মারধর শুরু করেন অভিভাবক। আর তাঁকে আটকাতে গিয়ে আহত হন প্রধান শিক্ষকও। তাঁকেও মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। উত্তর ২৪ পরগনার গোপালনগর হরিপদ ইনস্টিটিউশনের এই ঘটনায় স্তম্ভিত সকলে (Bongaon)।
Bongaon: কেন ‘শাসন’?
স্কুল সূত্রে খবর, একাদশ শ্রেণির রেজিস্ট্রেশন চলছিল (Bongaon)। সেসময় ক্লাসের মধ্যে খুব চিৎকার চেঁচামেচি ও অশোভন আচরণ শুরু করে ছাত্ররা। বাংলার শিক্ষক অরুণ দাস ক্লাসে বসে রেজিস্ট্রেশনের কাজ করছিলেন। অরুণবাবু বলেন, “সেই সময় ছাত্ররা অশোভন আচরণ করায় আমি দুই একজন ছাত্রকে শাসন করি৷ এরপরেই দেবব্রত দাস নামে এক ছাত্র, তার বাবাকে ফোন করে স্কুলে ডেকে আনে৷ তিনি প্রধান শিক্ষকের ঘরে আচমকা ঢুকে পড়েন। দু-একটি কথা বলেই কোমর থেকে বেল্ট খুলে আমায় মারধর শুরু করে। প্রধান শিক্ষক ঠেকাতে গেলে তিনিও বেল্টের আঘাতে আহত হন। “
প্রধান শিক্ষক সমরেশ চন্দ্র মন্ডল বলেন, “আমরা রীতিমতো আতঙ্কিত৷ স্কুলে ছাত্রদের ন্যূনতম শাসন করতে হয় শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য৷ তাতেই দেবব্রত দাস নামে এক ছাত্রের অভিভাবক এসে অরুণ বাবুকে বেল্ট দিয়ে মারতে থাকে আমি ঠেকাতে গেলে আমাকেও মারে৷ আমরা থানায় অভিযোগ করেছি। বিচার চেয়েছি। সেই সময়কার সিসিটিভি ফুটেজ দিয়েছি। এইকম হলে স্কুলে পঠনপাঠন চালানো অসম্ভব হয়ে যাবে ৷ নিরাপত্তার অভাব বোধ করছি। পুলিশের কাছে আবেদন করেছি দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।”
অভিযুক্তের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন তাঁরা। ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানাতে কালো ব্যাচ পড়ে থানায় যান তাঁরা। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে গোপালনগর থানার পুলিশ। ইতিমধ্যেই অভিযুক্তকে আটক করেছে পুলিশ।












1 thought on “ছাত্রকে শাসন কেন? বেল্ট দিয়ে স্কুলের দুই শিক্ষককে বেধড়ক মার অভিভাবকের”