গভীর রাতে সকলেই ঘুমে আচ্ছন্ন। হঠাৎই হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল বাড়ির একাংশ। আতঙ্কে বাড়ির বাইরে বেরিড়ে আসেন বাসিন্দারা। বেরিয়ে দেখেন দোতলা বাড়ির একাংশ ভেঙে গিয়েছে। অল্পের জন্য বড়সড় দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা পেলেন, দুই পরিবারের সদস্য (maniktala house collapse)।
maniktala house collapse: কীভাবে ঘটল দুর্ঘটনা?
সূত্রের খবর, মঙ্গলবার গভীর রাতে উত্তর কলকাতার মানিকতলা পোস্ট অফিসের কাছে এই দুর্ঘটনা ঘটে। তখন পরিবারের সদস্যরা ঘুমোচ্ছিলেন। হঠাৎ বিকট শব্দে ঘুম ভেঙে যায় তাঁদের। আতঙ্কে বাড়ির পিছন দিকে চলে যান তাঁরা। সেখান থেকে ঝুঁকি নিয়ে বাইরে বের হতে সক্ষম হন পরিবারের সদস্যরা। এই ঘটনায় আহত হন এক শিশু। তাঁকে ওই রাতেই হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় (maniktala house collapse)।
বিপজ্জনক বাড়ি আগেই জানতেন মালিক?
বাড়ির মালিকের দাবি, “বিপজ্জনক বাড়ি হওয়ায় সরকারের তরফে নোটিস লাগিয়ে দিয়েছিল। তারপর তিনি ভাড়াটিয়াদের উঠে যেতেও বলেছিলেন, কিন্তু তাঁরা রাজি হননি। বাড়ির মালিকের বক্তব্য, আমি ভাড়াটিয়াদের সঙ্গে কথাবার্তাও বলেছিলাম। দুই-তিন বছর ধরে এই বাড়িতে বিপজ্জনক নোটিস লাগানো। কিন্তু তাঁরা ওঠেনি। আমি কী করতাম এঁদেরকে জোর করে তুলে দিতাম? এঁনারাই ঝামেলা করেছেন।” অপরদিকে ভাড়াটিয়া ও স্থানীয়দের দাবি, বিস্তারিত কোন খবর তাদের দেওয়া হয়নি মালিক পক্ষ থেকে ভুল বার্তা দেওয়া হচ্ছে।
দুর্ঘটনার খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে যান, বিজেপি নেত্রী অর্চনা মজুমদার। গোটা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন। কথা বলেন স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে। তিনি বলেন, এই অঞ্চলে প্রচুর বিপজ্জনক বাড়ি রয়েছে। বাড়ির মালিক ও ভাড়িটিয়াদের সঙ্গে বহুবার কথা হয়েছে। কিন্তু কোনও পক্ষই বিষয়টিকে গায়ে লাগাননি। ফলে এই ঘটনা শহরে একাধিক পুরনো বাড়িগুলিতে বাসিন্দাদের নিরাপত্তা এবং পুরসভার নজরদারি নিয়ে প্রশ্ন উঠল।













2 thoughts on “কলকাতার মানিকতলায় বাড়ি ভেঙে বিপত্তি! অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা”