রাজ্য খেলার দুনিয়া দেশ মুশকিল আসান বিদেশ বিনোদন ব্যবসা ও বাণিজ্য লাইফস্টাইল ও স্বাস্থ্য টেক

---Advertisement---

প্রয়াগরাজে বিমানঘাঁটির কাছে ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণ, মৃত ১০, আহত ২২

prayagraj blast
---Advertisement---

উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজে বিমানঘাঁটির কাছে ভয়াবহ বিস্ফোরণ। সোমবার দুপুরে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় মৃত্যু ১০ জনের। আহত অন্তত ২২। ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে ৩টে বাড়ি। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ৮টি বাড়ি। মৃতদের তালিকায় রয়েছে দুই শিশুও। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে তড়িঘড়ি উদ্ধারকাজ শুরু করেছে পুলিশ ও বায়ুসেনা কর্মীরা।

prayagraj blast: কীভাবে ঘটল দুর্ঘটনা?

সোমবার দুপুর ১২টার দিকে প্রয়াগরাজ সীমান্তের কাছে অবস্থিত মানাউরি বিমান বাহিনী স্টেশন থেকে প্রায় ২ কিলোমিটার দূরে মহম্মদপুর গ্রামে বিস্ফোরণটি ঘটে। উদ্ধারকাজে নেমেছে পুলিশ, বিমান বাহিনী, এনডিআরএফ (NDRF) ও এসডিআরএফ (SDRF)-এর প্রায় ২০০ কর্মী। ধ্বংসস্তূপ সরানোর জন্য ১০টি আর্থ মুভার ব্যবহার করা হচ্ছে। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনও বেশকিছু মানুষ আটকে থাকতে পারেন। ফলে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

বিস্ফোরণটি ঘটার সময় কারখানার ভেতরে প্রায় ২০ জন শ্রমিক ছিলেন। এছাড়াও আশপাশের বাড়ির কয়েকজন বাসিন্দাও আহত হন। বিস্ফোরণের শব্দ ২ কিলোমিটার দূর পর্যন্ত শোনা গিয়েছিল। দ্রুতই ঘন ধোঁয়ার কুণ্ডলী গোটা এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনার পর কারখানার ভেতরে মজুত আতশবাজি গুলিতে মূর্হু মূর্হু বিস্ফোরণ হতে থাকে।

খাটিয়ায় করে আহতদের নিয়ে যাওয়া হচ্ছে

আহত ব্যক্তিদের খাটিয়ায় করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। বিস্ফোরণের ফলে একটি বাড়ির তিনতলায় ৮ ফুট চওড়া একটি গর্ত তৈরি হয়েছে। এতেই বোঝা যায় বিস্ফোরণের তীব্রতা কতটা ছিল। দুর্ঘটনার পর পেয়ে দ্রুত ঘটনা আসে পুলিশ ও দমকল বিভাগ। এমনকী পাশে থাকা বায়ুসেনা ঘাঁটি থেকে জওয়ানরা এসে উদ্ধারকাজে হাত লাগান।

দুর্ঘটনার কবল থেকে বেঁচে যাওয়া এক কিশোরি বলে, “ঘটনার সময় বাড়িতে আমি, আমার মা আর ছোট ভাই ছিলাম। একমাত্র আমিই বের হতে পেরেছি। বাকি সবাই চাপা পড়েছে।”

কেন এই বিস্ফোরণ হলো, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। এই বাজি কারখানা সরকারি অনুমতি এবং পর্যাপ্ত সুরক্ষা ব্যবস্থা ছিল কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আহতদের অনেকের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গিয়েছে।


Rima Dutta Ghosh

প্রায় ৮ বছর ধরে সাংবাদিকতার জগতে। শুরুটা মোটেও মসৃণ ছিল না। যাদবপুর ইউনির্ভারসিটি থেকে মাস কম-এ পড়াশোনা করতে করতেই জেলা সাংবাদিকতায় ঢোকা। তারপর থেকেই শুরু চড়াই-উতরাই। সেখান থেকে এবটি ওয়েট পোর্টালে কপি রাইটার হিসাবে কাজ শুরু। তারপর টেলিভিশন জগতে। সেখানে প্রায় ৪ বছর কাজ করা। কপি রাইটার থেকে বুলেটিন প্রডিউসার। কথাটা সহজ হলেও পথ চলাটা ছিল কঠিন।

Join WhatsApp

Join Now

Join Telegram

Join Now

Leave a Comment