রাজ্য খেলার দুনিয়া দেশ মুশকিল আসান বিদেশ বিনোদন ব্যবসা ও বাণিজ্য লাইফস্টাইল ও স্বাস্থ্য টেক

---Advertisement---

থিমে আড়ালে হারিয়ে যাচ্ছে বনেদি বাড়ির পুজো, বাঁচাতে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আবেদন

Published on: September 16, 2026
durga Puja
---Advertisement---

বাঙালি সবচেয়ে বড় উৎসব দুর্গাপুজো। তার কাউনডাউন ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে। ইতিহাস ঘাঁটলে দেখা যাবে, দুর্গাপুজো প্রথম শুরু হয়েছিল পারিবারিকভাবে। পুরাণকথা অনুসারে বলা হয়, রাজা সুরথই পৃথিবীতে ‌প্রথম দেবী দুর্গার পুজো করেন বলেই বিশেষজ্ঞদের অভিমত। ফলে দুর্গাপুজোর ক্ষেত্রে পরিবারগুলির ভূমিকা অস্বীকার করা যায় না। এখন থিমের ছড়াছড়ি। কিন্তু কালের আবর্তে বহু পারিবারিক দুর্গাপুজো আজ ক্ষয়িষ্ণু। অর্থনৈতিক সংকটই এর বড় কারণ (durga Puja)।

durga Puja: মুখ্যমন্ত্রীকে আবেদন বনেদি পরিবারগুলির

রাজ্যে পালাবদলের পর প্রথম দুর্গাপুজো। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এ বছর দুর্গাপুজোর উদ্যোক্তাদের ঐচ্ছিক এক লক্ষ টাকা অনুদান দেওয়ার ঘোষণা করেছেন। বলাই বাহুল্য পারিবারিক পুজোগুলিকে এর মধ্যে এখনও ধরা হয়নি। তবে হাওড়া জেলার বেশ কয়েকটি পরিবার জানিয়েছে, মুখ্যমন্ত্রীর অনুদান পেলে দুর্গাপুজোকে আরও বড় করে তারা মানুষের কাছে তুলে ধরতে পারবে (durga Puja)।

অর্থিক সঙ্কটে ভুগছে বনেদি পুজোগুলি

হাওড়া জয়পুর থানার অমরাগরি রায় পরিবারের এক সদস্যর কথায়, “আগে জৌলুসপূর্ণভাবে এই পুজোগুলি হতো। এখন অর্থনৈতিক মন্দার কারণে জৌলুস হারিয়েছে। সরকারি এই অনুদান পারিবারিক পুজোর ক্ষোত্রেও যদি দেয়। তাহলে আমাদের এই পারিবারিক পুজো আগের মতো জৌলুস ফিরে পাবে। আগে যেমন আড়ম্বরভাবে পুজো হতো, এখন সেই আড়ম্বরে অনেক কাঁটছাঁট হয়েছে। তার একমাত্র কারণ অর্থনৈতিক পরিস্থিতি। আমরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আবেদন করছি, পারিবারিক পুজোগুলির প্রাণ ফেরাতে মুখ্যমন্ত্রীর অনুদান প্রয়োজন।”

পুজোর ইতিহাস

৩০৭ বছরের প্রাচীন এই দুর্গা পুজোর সঙ্গে জড়িত রয়েছে বাঘ বলির মিথ। জানা গিয়েছে, অতীতে এই এলাকার পাশ দিয়ে বয়ে যেত দামোদর নদ। বর্ধমানের সম্পন্ন ব্যবসায়ী শান্তি রায় ব্যবসার সুত্রে যাওয়ার সময় এই এলাকায় নৌকা নোঙর করেছিলেন। রাত হয়ে যাওয়ায় সেখানে রাত্রিবাস করেন। রাতেই তিনি স্বপ্নে গজলক্ষ্মী দেবী তাঁকে সেখানে প্রতিষ্ঠা করার আদেশ দিলেন। সকালে উঠে লোকজনকে এলাকা পরিষ্কার করার আদেশ দিলেন। পরে গড়ে তুললেন গজলক্ষ্মী মূর্তি ও মন্দির। যা আজ ক্ষয়িষ্ণু টেরাকোটার নিদর্শনে। আজও রায় পরিবারের এই পুজো পরিচালিত হয় গজলক্ষ্মী মাতা এস্টেটের ব্যানারে।


Rima Dutta Ghosh

প্রায় ৮ বছর ধরে সাংবাদিকতার জগতে। শুরুটা মোটেও মসৃণ ছিল না। যাদবপুর ইউনির্ভারসিটি থেকে মাস কম-এ পড়াশোনা করতে করতেই জেলা সাংবাদিকতায় ঢোকা। তারপর থেকেই শুরু চড়াই-উতরাই। সেখান থেকে এবটি ওয়েট পোর্টালে কপি রাইটার হিসাবে কাজ শুরু। তারপর টেলিভিশন জগতে। সেখানে প্রায় ৪ বছর কাজ করা। কপি রাইটার থেকে বুলেটিন প্রডিউসার। কথাটা সহজ হলেও পথ চলাটা ছিল কঠিন।

Join WhatsApp

Join Now

Subscribe on Youtube

Subscribe Now

1 thought on “থিমে আড়ালে হারিয়ে যাচ্ছে বনেদি বাড়ির পুজো, বাঁচাতে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আবেদন”

Leave a Comment