নন্দীগ্রামের পর এবার রেজিনগর। মনোনয়ন প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্ত নিলেন মমতাপন্থী তৃণমূলের প্রার্থী রবিউল আলম চৌধুরী। তাঁকে রেজিনগর থেকে প্রার্থী করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মনোনয়ন প্রত্যাহারের কারণ হিসাবে রবিউল জানান, নতুন প্রতীকে ভোট করানোর মতো কোনও সংগঠন নেই। ভোটারদের প্রতীক চেনানোও মুশকিল। তাই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন (rabiul alam chowdhury)।
rabiul alam chowdhury: কেন মনোনয়ন প্রত্যাহার?
সংবাদমাধ্যমকে মমতাপন্থী তৃণমূলের প্রার্থী রবিউল আলম চৌধুরী বলেন, ‘‘দলের নতুন প্রতীক। এর ফলে কর্মীরা মাঠে নামতে চাইছে না। তাঁদের উপর চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে। উপনির্বাচনের আগে অনেককে গ্রেফতার করা হয়েছে। এইভাবে আমরা ভোটে লড়ব কী করে? সেই কারণেই সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’’ তিনি আরও জানান, তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গেও তাঁর কথা হয়েছে। তাঁকে জানিয়েই মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন তিনি। এর ফলে উপনির্বাচনে রাজ্যের দুই কেন্দ্রে নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোনও প্রতিনিধি রইল না (rabiul alam chowdhury)।
উপনির্বাচন ঘিরে নাটক অব্যাহত
গতকালই নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শিবিরের প্রার্থী সঞ্চিতা প্রধান দে। ফলে এই উপনির্বাচনে মমতা-শিবিরের কোনও প্রার্থী আর নন্দীগ্রামের লড়াইয়ে থাকলেন না। বৃহষ্পতিবার ময়দানের PWD তাঁবুতে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে দেখা করেন সঞ্চিতা প্রধান দে। সঙ্গে ছিলেন তাঁর স্বামী সত্যজিৎ প্রধান। এই সাক্ষাতের পরই তাঁর মনোনয়ন প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত সামনে আসে।
জোড়াফুল ফ্রিজ করার পর মমতার দল ‘ফুটবলার’ প্রতীক পেয়েছে। ঋতব্রতেরা পেয়েছেন খাম চিহ্ন। এরপরেই প্রার্থী ঘিরে তৈরি হয় চরম নাটকীয়তা। নন্দীগ্রামের প্রার্থী সঞ্চিতা প্রধান দে মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নেওয়ার পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সাংবাদিক বৈঠকে জানান, তিনি নন্দীগ্রামে কংগ্রেসকে সমর্থন করবেন। তার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে পুরনো একটি মামলায়, ওই কেন্দ্রের কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এবার উপনির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিলেন রেজিনগরের প্রার্থীও।











2 thoughts on “নাটকে ভরা উপনির্বাচন, নন্দীগ্রামের পরে এবার রেজিনগরেও প্রার্থী প্রত্যাহার মমতার প্রার্থীর”