রুদ্ধশ্বাস ম্যাচের সাক্ষী থাকলো যুবভারতী। ব্রাজিলের দাপট এবং জয়। তবে গোটা ম্যাচেই নজর কাড়ল ভারত। সেলেকাওরা ৪ গোলে জিতলেও ভারতের আক্রমণ এবং গোলের সুযোগ তৈরি মন জিতেছে। পানামার বিরুদ্ধে ১-১ গোলে ড্র করে আত্মবিশ্বাস সঞ্চয় করা খেলতে নেমেছিল ভারত।স্টেডিয়ামের গ্যালারিতে দর্শকের খরা থাকলেও ম্যাচ ঘিরে ছিল হাই-ভোল্টেজ লড়াই (india vs brazil)।

india vs brazil: আক্রমণাত্মক ব্রাজিল
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণ শানাতে দেখা যায় ব্রাজিলকে। ম্যাচের শুরু থেকে বক্সের বাঁ দিক থেকে ভিনিসিয়াস জুনিয়র একের পর এক আক্রমণ শানাতে থাকেন। তাঁর আক্রমণ দুর্দান্ত বুদ্ধিমত্তায় এগিয়ে এসে প্রতিহত করেন গুরপ্রীত। তবে ২৮তম মিনিটে ভাঙে সেই প্রতিরোধ। বক্সের ডান প্রান্তে ফাঁকা জায়গা তৈরি করে বাঁ পায়ের চমৎকার শটে বল জালে জড়িয়ে ব্রাজিলকে ১-০ তে এগিয়ে দেন এস্তেভাও গনসালভেস। এর কিছুক্ষণ পর পেদ্রোর একটি জোরালো হেড পোস্টে লেগে ফিরে এলেও ৪২ মিনিটে দ্বিতীয় গোল হজম করতে হয় ভারতকে। এ বার গোলদাতা এস্তেভাও নিজেই বল বাড়ান পেদ্রোকে, যিনি ঠান্ডা মাথায় শট নিয়ে গুরপ্রীতকে পরাস্ত করে ব্যবধান ২-০ করেন (india vs brazil)।

দ্বিতীয়ার্ধে ভারতের হয়ে গোলপোস্টের নিচে আসেন প্রভসুখন সিং গিল এবং মাঠে নামেন জয় গুপ্তা ও মহম্মদ সানান। অন্যদিকে ব্রাজিল তুলে নেয় ভিনিসিয়াস, মার্কুইনহোস ও দানিলোর মতো তারকাদের। মাঠে নামেন ব্রুনো গুইমারেস, ডগলাস লুইজ ও স্যামুয়েল লিনো। কিন্তু গোলকিপার বদলেও ভারতের ভাগ্যের চাকা ঘোরেনি। ৫৮তম মিনিটে ভারতীয় ডিফেন্সের বিজয় ভার্গিস বলের নিয়ন্ত্রণ হারালে বল কেড়ে নেন লিনো এবং ডান প্রান্ত থেকে দূরপাল্লার বাঁকানো শটে সেকেন্ড পোস্টে বল জড়িয়ে ৩-০ করেন।

ম্যাচের শেষ মিনিটে প্রভসুখন গিল ভানডারসনের একটি নিশ্চিত শট বাঁচিয়ে প্রশংসা কুড়োলেও শেষ রক্ষা হয়নি। ইনজুরি টাইমের অন্তিম মুহূর্তে বাঁ দিক দিয়ে উঠে ম্যাককারটনকে বডি ড্রজে পরাস্ত করে বুলেট শটে নিজের দ্বিতীয় এবং দলের চতুর্থ গোলটি করে ৪-০ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করেন স্যামুয়েল লিনো।











1 thought on “ব্রাজিলের দাপট যুবভারতীতে, ৪ গোলে হারলেও নজর কাড়ল ভারত”
Comments are closed.