পুজোর আবহেই দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুরের পদ্মপুকুর বাইপাস মোড়ে টোটো চালককে ঘিরে উত্তেজনা। (No Nameplate Police) এক মহিলার সঙ্গে আপত্তিকর ব্যবহার ও ‘নো এন্ট্রি জোন’- এ টোটো ঢুকে যাওয়ায় ‘ অভিযোগে এক টোটো চালককে ঘিরে বচসায় উত্তেজনা। টোটো চালককে আটক করে থানায় নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে বলে অভিযোগ ‘নেমপ্লেটহীন’ পুলিশের বিরুদ্ধে। পুলিশের বিরুদ্ধে হেনস্তা, ‘নেমপ্লেট’ ছাড়া ডিউটি এবং টোটো ছাড়াতে মোটা টাকা চাওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করলেন স্থানীয়রা। ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছে বিতর্ক।
মহিলার সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগ
ওই (No Nameplate Police) ‘নেমপ্লেটহীন’ পুলিশ কর্মীর দাবি, ওই টোটো চালক একজনকে মারধর করেছেন। তিনি থানায় অভিযোগ জানাতে গিয়েছেন। সেই কারণেই টোটোটি থানায় নিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, কয়েকজন টোটো চালক মদ্যপ অবস্থায় রয়েছেন বলেও দাবি করেন ওই পুলিশকর্মী। অন্যদিকে, এক টোটো চালক বলেন, তাঁরা ভুল করেছেন, তা মেনে নিচ্ছেন। অভিযোগের সত্যতা অবশ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি।
পুজো মণ্ডপের সামনে মহিলা ভলান্টিয়ারকে ‘আপত্তিকর স্পর্শ’, গ্রেফতার কলকাতা পুলিশের ASI
নেমপ্লেট নেই, প্রশ্নে নীরব পুলিশ
অভিযোগ, (No Nameplate Police) এক পুলিশকর্মী নেমপ্লেট ছাড়াই টোটোটি নিয়ে যাচ্ছিলেন। তিনি জানান, ওসির অনুমতি রয়েছে এবং ট্রাফিকের বড়বাবুর নির্দেশেই গাড়িটি থানায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। নাম জানতে চাইলে তিনি বলেন, “আমার নাম জানার দরকার নেই। বড়বাবুকে জিজ্ঞেস করুন।” নেমপ্লেট না থাকার প্রশ্নে অবশ্য কোনও প্রতিক্রিয়া দিতে চাননি তিনি। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, টোটো চালককে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়।
টাকা চাওয়ার আশঙ্কার অভিযোগ
মুক্তি সংঘ ক্লাবের কমিটির সদস্য দীপঙ্কর নস্কর অভিযোগ করেন, পুলিশের পোশাক কিনতে পাওয়া যায় এবং নেমপ্লেট না থাকায় ওই ব্যক্তির পরিচয় নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। তাঁর আশঙ্কা, থানায় নিয়ে যাওয়ার পর টোটো ছাড়াতে ১০–২০ হাজার টাকা দাবি করা হতে পারে। তবে এই টাকা চাওয়ার অভিযোগের পক্ষে কোনও প্রমাণ সামনে আসেনি। (No Nameplate Police)
তাঁর আরও অভিযোগ, অন্য এক টোটো চালককে ছেড়ে দেওয়া হলেও ওই চালককে ছাড়া হয়নি। তাঁর দাবি, চালকের কলার ধরে গায়ে হাত দিয়ে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
ঘটনায় পুলিশের বক্তব্য ও সংশ্লিষ্ট থানার আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া এখনও জানা যায়নি। অভিযোগগুলির সত্যতা যাচাই করা জরুরি।












1 thought on “‘নেমপ্লেটহীন’ পুলিশ! ‘নো এন্ট্রি জোন’ – এ টোটো ঢুকে যাওয়ায় চালককে হেনস্থার অভিযোগে উত্তেজনা বারুইপুরে”
Comments are closed.