কোনও লাইসেন্স নেই। তিনি একটি অস্থায়ী জায়গায় খাবার বিক্রি করেন। সমাজমাধ্যমে অনেকেই ‘রাজু দা-র পকেট পরোটা’ নামেই তাঁকে চেনেন। ফুড ব্লগারদের কল্যাণে যথেষ্ট বিক্রিবাটা এই দোকানে। এবার তাঁর দোকানে হানা দিলেন KMC-র খাদ্য সুরক্ষা দফতরের আধিকারিকেরা (raju da pocket parota)। রাজুদার দোকানে এসে কী পেলেন খাদ্য সুরক্ষা দফতরের আধিকারিকেরা? রাজুদার খাবার কি টেস্টে পাশ করল?
raju da pocket parota: কী পেলেন রাজুদার দোকানে?
রাজুদার খাবার টেস্টের পর প্রাথমিকভাবে আপত্তিকর কিছু পায়নি খাদ্য সুরক্ষা দফতরের আধিকারিকেরা। খাবারের মান নিয়েও কোনও আপত্তি জানাননি তাঁরা (raju da pocket parota)। তবে খাবারের স্যাম্পল সংগ্রহ করে তাঁরা নিয়ে গেছেন। তাঁকে খাবারের লাইসেন্স করানোর পরামর্শও দিয়েছেন আধিকারিকেরা। পরিষ্কার -পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার নির্দেশ দিয়েছেন।
raju da pocket parota: কী জবাব রাজুদার?
রাজুদা বলেন, “খাদ্য সুরক্ষা দফতরের আধিকারিকদের প্রাথমিক টেস্টে কোনওরকম আপত্তিকর কিছু পাননি। ল্যাবে চেক করার জন্য তাঁরা স্যাম্পেল হিসাবে খাবার নিয়ে গেছেন। ৭ দিন পর রিপোর্ট দেওয়া হবে। আমি প্রথম টেস্টে পাশ করেছি। আমরা লাইসেন্স নেই। আগে এতটা অভিজ্ঞতা ছিল না। এবার আমি চেষ্টা করব লাইসেন্সটা তৈরি করে নেওয়ার।”
রাজুদার দোকানের পাশাপাশি এদিন শিয়ালদায় এনআরএস চত্বরে পুরসভার খাদ্য সুরক্ষা দফতরের আধিকারিকরা পৌঁছে যান। সেখানে বেশকিছু ভাজাভুজির দোকান, খাবার দোকনে নিম্নমানের হলুদের সন্ধান পান তাঁরা। সেইগুলিও স্যাম্পেল হিসাবে নিয়ে যান খাদ্য় সুরক্ষা দফতরের আধিকারিকেরা। অন্য়দিকে, বেশকিছু দোকানে মজুত করা মাছ, মাংস, এমনকী কী মশলা দিয়ে রান্না হচ্ছে? সবটাই খতিয়ে দেখা দেখছেন আধিকারিকেরা।












