৪ দিনের যাত্রা। প্রায় ৭৫ ঘণ্টায় পথ। এই দূরত্ব পার করে ভারতের দীর্ঘতম ট্রেন। অসমের ডিব্রুগড় থেকে তামিলনাড়ুর কন্যাকুমারী পর্যন্ত ৪,১৮৮ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে বিবেক এক্সপ্রেস। যাত্রীদের ভারতের বিভিন্ন রাজ্যের বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতি ও প্রাকৃতিক দৃশ্য উপভোগ করার সুযোগ করে দেয় এই ট্রেন। ৯ রাজ্যের মধ্যে দিয়ে যায় এই বিবেক এক্সপ্রেস। কেরালার তিরুবনন্তপুরম, অন্ধ্রপ্রদেশের বিশাখাপত্তনম, তামিলনাড়ুর মাদুরাই, সব মিলিয়ে প্রায় ৫৭টিরও বেশি স্টেশনে থামে এই ট্রেন (Vivek Express)।
Vivek Express: ডিব্রুগড় থেকে বিবেকের যাত্রা শুরু
বিবেক এক্সপ্রেসের যাত্রা শুরু হয় অসমের ডিব্রুগড় থেকে। অসমের চা-বাগান হয়ে যাত্রাপথে ট্রেনটি গুয়াহাটি হয়ে পশ্চিমবঙ্গের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ স্টেশন ছুঁয়ে ফেলে। নিউ জলপাইগুড়ি, মালদা টাউন, রামপুরহাট ও খড়্গপুর জংশনের উপর দিয়ে যায় এই ট্রেন। বাংলার রেলযাত্রীরাও সহজেই এই দীর্ঘতম যাত্রার শরিক হতে পারেন। এই ট্রেনের যাত্রায়, প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের পাশাপাশি স্থানীয় জনজীবনের এক ঝলক চোখে পড়ে। এই ট্রেন নর্থ-ইস্টের পর্যটন এবং ব্যবসা-বাণিজ্যে এক নতুন দিগন্ত খুলে দিয়েছে। এটি অসমের চায়ের বাগান থেকে কেরালার উপকূলে ভ্রমণের সুযোগ এনে দেয় (Vivek Express)।
গণেশ নামে এক ভ্রমণকারী তিনি তাঁর ইনস্টাগ্রামে একটি ভিডিয়ো শেয়ার করেছেন। ডিব্রুগড় থেকে কন্যাকুমারী পর্যন্ত তাঁর যাত্রার অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছেন। ইতিমধ্যেই তাঁর পোস্ট করা বেশ কয়েকটি ভিডিয়ো ভাইরাল হয়েছে। যাঁরা দীর্ঘ পথ ভ্রমণ এবং ভারতের বৈচিত্র্যময় রূপ দেখতে আগ্রহী তাঁদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে এই ভিডিয়োগুলি। ফলে যাঁরা এই ভ্রমণের পরিকল্পনা করছেন, তাঁদের উচিত আগেভাগেই টিকিট, ভ্রমণের সময়কাল এবং ট্রেনের সময়সূচী সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নেওয়া। প্রায় ৪ দিনব্যাপী এই যাত্রা পথটি সেইসব ভ্রমণকারীদের জন্য উপযুক্ত, যারা কেবল দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছানোর চেয়ে যাত্রাপথের অভিজ্ঞতাকে বেশি গুরুত্ব দেন।
এই যাত্রাপথে আলাদা আলাদা সংস্কৃতির পাশাপাশি আপনি ভাষা এবং খাবারের স্বাদ পাবেন। ৪ দিন ঘর ছেড়ে বিবেক এক্সপ্রেসেই শুরু করতে পারেন ভারতকে আবিষ্কারের যাত্রা।












