রেলস্টেশনের টিকিট কাউন্টারে সংরক্ষিত টিকিট কাটছেন যাত্রীরা। টিকিটের দামের সঙ্গে মাত্র ৪৫ পয়সা অতিরিক্ত দিলেই মিলতে পারে সর্বোচ্চ ১০ লক্ষ টাকার বিমা। এতদিন অনলাইনে ট্রেনের টিকিট কাটার সময় এই বিমার সুবিধা পাওয়া যেত। এবার সেই সুবিধা বাড়িয়ে রেলস্টেশনের টিকিট কাউন্টার থেকেও সংরক্ষিত টিকিট কাটার ক্ষেত্রে চালু করা হচ্ছে। ফলে যাঁরা অনলাইনের বদলে কাউন্টার থেকে টিকিট কাটতে পছন্দ করেন, তাঁরাও এই সুবিধার আওতায় আসবেন।(Indian Railways Insurance)
কীভাবে মিলবে ১০ লক্ষ টাকার বিমা?
এই বিমা সম্পূর্ণ ঐচ্ছিক। অর্থাৎ, যাত্রীরা চাইলে টিকিট কাটার সময় এই বিমা নিতে পারেন। এর জন্য যাত্রীপিছু দিতে হবে মাত্র ৪৫ পয়সা। বিমার সর্বোচ্চ পরিমাণ ১০ লক্ষ টাকা। তবে বিমার শর্ত ও নিয়ম প্রযোজ্য থাকবে। NDTV-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ACME ইন্ডিয়া ইন্ডাস্ট্রিস লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর সুরজ পাণ্ডে জানান, রেলের সংরক্ষিত টিকিট কাটার সময় যোগ্য যাত্রীরা এই বিমার সুবিধা নিতে পারবেন। নির্দিষ্ট রেল দুর্ঘটনা বা বিমার আওতায় থাকা অন্য কোনও ঘটনা ঘটলে আর্থিক সহায়তা পাওয়া যাবে। তবে প্রত্যেক দুর্ঘটনায় ১০ লক্ষ টাকা পাওয়া যাবে, এমনটা নয়। কী ধরনের ঘটনা ঘটেছে এবং বিমার শর্ত কী, তার উপর নির্ভর করবে ক্ষতিপূরণের পরিমাণ। তাই টিকিট কাটার সময় বিমার বিকল্পটি দেখে নেওয়ার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট নিয়ম ও দাবি জানানোর পদ্ধতি জেনে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন সুরজ। (Indian Railways Insurance)
শুধু বিমা নয়, নিরাপত্তাতেও জোর
রেলযাত্রায় বিমা আর্থিক সুরক্ষা দিতে পারে। কিন্তু দুর্ঘটনা আটকাতে পারে না। তার জন্য রেলের পরিকাঠামো, কামরার নকশা, উন্নত মানের উপকরণ এবং নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ জরুরি। বিশেষ করে পুরনো ICF ও LHB কামরাগুলির নিয়মিত পরীক্ষা এবং ক্ষতিগ্রস্ত যন্ত্রাংশ সময়মতো বদলানো প্রয়োজন। নতুন কামরা তৈরির পাশাপাশি পুরনো কামরার নিরাপত্তার দিকেও সমান গুরুত্ব দেওয়া জরুরি। সব মিলিয়ে, মাত্র ৪৫ পয়সায় বিমার সুবিধা যাত্রীদের কাছে আর্থিক সুরক্ষার একটি সুযোগ। তবে নিরাপদ রেলযাত্রার জন্য বিমার পাশাপাশি রেলের পরিকাঠামো উন্নয়ন ও নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। (Indian Railways Insurance)
আরও পড়ুন :- গান্ধীজির সঙ্গে যুক্ত বাজাজ গ্রুপ, পঞ্চম পুত্রর হাত ধরে তৈরি হয় এই সংস্থা












