রাজ্য খেলার দুনিয়া দেশ অজানা তথ্য মুশকিল আসান বিদেশ বিনোদন ব্যবসা ও বাণিজ্য লাইফস্টাইল ও স্বাস্থ্য টেক

---Advertisement---

হাতে স্টিয়ারিং, মৃত্যুর কোলে লুটিয়ে পড়লেন বাসচালক, তারপর…

Published on: October 10, 2026
andhra pradesh
---Advertisement---

এ যেন জীবন দিয়ে জীবন বাঁচানো। শরীরে তীব্র যন্ত্রণা। তবুও হার মানতে রাজি নন। তাঁর কাঁধে ৪০ জন যাত্রীর ভার। এই গল্প অন্ধ্রপ্রদেশের এক বাসচালকের। মৃত্যু দরজায় এসে কড়া নাড়লেও দায়িত্ব-কর্তব্য থেকে একচুলও নড়েননি তিনি। তার জন্যেই প্রাণে বাঁচলেন ৪০ জন যাত্রী। রাস্তার পাশে দাঁড় করিয়ে দিলেন গাড়ি। তারপরেই চালকের আসনে মৃত্যুর কোলে লুটিয়ে পড়লেন (andhra pradesh)।

andhra pradesh: জীবন দিয়ে জীবন বাঁচানোর তাগিদ

স্থানীয় সূত্রে খবর, অন্ধ্রপ্রদেশ স্টেট রোড ট্রান্সপোর্ট কর্পোরেশনের (এপিএসআরটিসি) এক চালক হঠাৎই হৃদরোগে আক্রান্ত হন। সেই সময় তাঁর বাসে ছিলেন ৪০ জন যাত্রী। মৃত্যুর মুখে দাঁড়িয়েও ৪০ জন যাত্রীর জীবন বাঁচালেন ৩৪ বছরের জেট্টি শিবা। বৃহস্পতিবার, কাঁকিনাড়া-বিশাখাপত্তনম রুটে বাসটি চলায় সময় এই ঘটনাটি ঘটে। চালক তাঁর শারীরিক অবস্থার কথা বুঝতে পেরে বাসটিকে যাত্রী সমেত রাস্তার পাশে দাঁড় করিয়ে দেন। বাসটি থামানোর পরই স্টিয়ারিংয়ের ওপর তিনি লুটিয়ে পড়েন। APSRTC-র কর্মকর্তারা জানান, তাকে দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

APSRTC চেয়ারম্যান বাস চালক জেট্টি শিবার অকাল মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করেছেন। এক বিবৃতিতে APSRTC-এর চেয়ারম্যান কোনাকাল্লা নারায়ণ রাও বলেন, হঠাৎ শারীরিক অসুস্থতা হওয়া সত্ত্বেও শিবা অসাধারণ সাহস ও প্রবল দায়িত্ববোধের পরিচয় দিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন, বাসটি চালক ঠিক সময়ে না থামালে, বড়সড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারতো। বাস চালকের এই সিদ্ধান্ত বড় দুর্ঘটনা এড়াতে পেরেছে (andhra pradesh)।

শোকস্তব্ধ পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর আশ্বাস

মৃত বাস চালকের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়ে APSRTC-এর চেয়ারম্যান কোনাকাল্লা নারায়ণ রাও বলেন, এই কঠিন সময়ে কর্পোরেশন তাদের পাশে থাকবে। তিনি জানান, প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সহায়তা ও সহযোগিতা প্রদানের জন্য এপিএসআরটিসি (APSRTC) যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। এছাড়া চেয়ারম্যান APSRTC-র চালক, কন্ডাক্টর ও অন্যান্য কর্মীদের ভূয়সী প্রশংসা করেন।


Rima Dutta Ghosh

প্রায় ৮ বছর ধরে সাংবাদিকতার জগতে। শুরুটা মোটেও মসৃণ ছিল না। যাদবপুর ইউনির্ভারসিটি থেকে মাস কম-এ পড়াশোনা করতে করতেই জেলা সাংবাদিকতায় ঢোকা। তারপর থেকেই শুরু চড়াই-উতরাই। সেখান থেকে এবটি ওয়েট পোর্টালে কপি রাইটার হিসাবে কাজ শুরু। তারপর টেলিভিশন জগতে। সেখানে প্রায় ৪ বছর কাজ করা। কপি রাইটার থেকে বুলেটিন প্রডিউসার। কথাটা সহজ হলেও পথ চলাটা ছিল কঠিন।

Join WhatsApp

Join Now

Subscribe on Youtube

Subscribe Now